০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান কোচিং সেন্টার বন্ধসহ নানা নিয়মের শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত মন্দিরের জায়গায় শৌচাগার: জবিতে দিনভর বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীদের মন্দির ‘উদ্বোধন’ শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার কোন কোন এলাকায় আজ ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না জামায়াত আমিরের এক্স হ্যাক: বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: শেরপুর-৩ আসনের ভবিষ্যৎ কি হবে?

নথি জটিলতায় বিলম্বিত পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক আইনের বিচার, জামিনের অপেক্ষায় ৩০০ সাবেক বিডিআর সদস্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / 124

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আসামিদের জামিন আবেদনের ওপর আজ, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আদালত রায় দেবেন। এর আগে, কেরানিগঞ্জে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে জামিন না পাওয়া তিন শতাধিক সাবেক বিডিআর সদস্যের স্বজনরা দীর্ঘসময় ধরে অবস্থান নিয়েছেন, যারা রায় শোনার অপেক্ষায় আছেন।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি কেরানীগঞ্জের বিশেষ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলায় জামিনের আবেদনের ওপর শুনানি হয়, তবে আদালত আদেশ পরে দেওয়ার কথা জানান। এর আগে, ২৩ জানুয়ারি ১৬ বছর পর বিস্ফোরক আইনে জামিন পায় ১৬৮ বিডিআর সদস্য।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলায় বর্তমানে ৮৩৪ জন আসামির মধ্যে প্রায় আড়াইশ জন জামিন পেয়েছেন। তবে, বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচারকাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই মামলায় ১৩৪৪ জন আসামির মধ্যে ২৮৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

আসামিদের পরিবারের অভিযোগ, হত্যা মামলায় সাজার মেয়াদ শেষ হলেও, বিস্ফোরক আইনের বিচার বিলম্বিত হওয়ার কারণে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে বন্দী রয়েছেন।

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দফতরে ঘটে ভয়াবহ বিদ্রোহ, যার ফলে ৫৭ সেনা কর্মকর্তা সহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়। বিস্ফোরক আইনে মামলার বিচার শুরু হয় ২০১০ সালে, তবে মাঝপথে কার্যক্রম স্থগিত রেখে শুধুমাত্র হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলে। এই কারণে বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্য সঠিকভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় বিস্ফোরক আইনের বিচার থমকে গেছে, যা আসামিদের ও তাদের পরিবারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী অসুবিধার সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নথি জটিলতায় বিলম্বিত পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক আইনের বিচার, জামিনের অপেক্ষায় ৩০০ সাবেক বিডিআর সদস্য

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আসামিদের জামিন আবেদনের ওপর আজ, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আদালত রায় দেবেন। এর আগে, কেরানিগঞ্জে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে জামিন না পাওয়া তিন শতাধিক সাবেক বিডিআর সদস্যের স্বজনরা দীর্ঘসময় ধরে অবস্থান নিয়েছেন, যারা রায় শোনার অপেক্ষায় আছেন।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি কেরানীগঞ্জের বিশেষ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলায় জামিনের আবেদনের ওপর শুনানি হয়, তবে আদালত আদেশ পরে দেওয়ার কথা জানান। এর আগে, ২৩ জানুয়ারি ১৬ বছর পর বিস্ফোরক আইনে জামিন পায় ১৬৮ বিডিআর সদস্য।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলায় বর্তমানে ৮৩৪ জন আসামির মধ্যে প্রায় আড়াইশ জন জামিন পেয়েছেন। তবে, বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচারকাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই মামলায় ১৩৪৪ জন আসামির মধ্যে ২৮৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

আসামিদের পরিবারের অভিযোগ, হত্যা মামলায় সাজার মেয়াদ শেষ হলেও, বিস্ফোরক আইনের বিচার বিলম্বিত হওয়ার কারণে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে বন্দী রয়েছেন।

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দফতরে ঘটে ভয়াবহ বিদ্রোহ, যার ফলে ৫৭ সেনা কর্মকর্তা সহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়। বিস্ফোরক আইনে মামলার বিচার শুরু হয় ২০১০ সালে, তবে মাঝপথে কার্যক্রম স্থগিত রেখে শুধুমাত্র হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলে। এই কারণে বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্য সঠিকভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় বিস্ফোরক আইনের বিচার থমকে গেছে, যা আসামিদের ও তাদের পরিবারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী অসুবিধার সৃষ্টি করেছে।