ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট আজ আদালতে দাখিল হতে পারে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 124

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রবিবার (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মামলার ডিএনএ পরীক্ষার কাজ ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ডিএনএ পরীক্ষার সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং আজ রবিবারই আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি বর্তমানে অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করার কাজ করছেন এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএনএ রিপোর্টসহ বিভিন্ন সংগৃহীত প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখছেন।

আরও পড়ুন  হত্যা মামলাসহ একাধিক অভিযোগে মানিকগঞ্জ আদালতে মমতাজ

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২০ মে মূল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে গিয়ে এই অপরাধ সংঘটন করেন। তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন যে, অপরাধ করার পর সে ঘটনার সমস্ত আলামত ও প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়েছিল এবং একপর্যায়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, এই নৃশংস অপরাধ সংঘটনের পূর্বে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। তবে তদন্তকারীরা অনুসন্ধান চালিয়ে ভুক্তভোগী শিশু ও অভিযুক্তের পরিবারের মধ্যে পূর্বের কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক শত্রুতার প্রমাণ পাননি।

এই বর্বরোচিত ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে ২০ মে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেইদিনই পুলিশ অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে আদালতে হাজির করে তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট আজ আদালতে দাখিল হতে পারে

আপডেট সময় ১০:৪০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রবিবার (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মামলার ডিএনএ পরীক্ষার কাজ ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ডিএনএ পরীক্ষার সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং আজ রবিবারই আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি বর্তমানে অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করার কাজ করছেন এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএনএ রিপোর্টসহ বিভিন্ন সংগৃহীত প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখছেন।

আরও পড়ুন  একরামুল হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ সাতজনকে আত্মসমর্পণের বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২০ মে মূল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে গিয়ে এই অপরাধ সংঘটন করেন। তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন যে, অপরাধ করার পর সে ঘটনার সমস্ত আলামত ও প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়েছিল এবং একপর্যায়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, এই নৃশংস অপরাধ সংঘটনের পূর্বে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। তবে তদন্তকারীরা অনুসন্ধান চালিয়ে ভুক্তভোগী শিশু ও অভিযুক্তের পরিবারের মধ্যে পূর্বের কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক শত্রুতার প্রমাণ পাননি।

এই বর্বরোচিত ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে ২০ মে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেইদিনই পুলিশ অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে আদালতে হাজির করে তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।