ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ ৯ নেতাকর্মী বিস্ফোরক মামলায় খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 195

ছবি সংগৃহীত

 

 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ ৯ জন নেতাকর্মী বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন।

আরও পড়ুন  বড়সড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ব্রিটেন? জেট ও বিস্ফোরকে বাড়ছে বিনিয়োগ

সোমবার (১৬ জুন) ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৪-এর বিচারক রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি, ফলে আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের হরতালের সময় রাজধানীর সূত্রাপুর থানাধীন এলাকায় একটি লেগুনা গাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে পাঁচজন দগ্ধ হন এবং গাড়িটি পুড়ে যায়। ওই ঘটনায় বিএনপির প্রয়াত নেতা সাদেক হোসেন খোকা, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

তবে মামলার বিচার চলাকালে আসামি সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যু হওয়ায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, “এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা ছিল। আমি শুরু থেকেই নির্দোষ ছিলাম। আজ আদালত সত্যের পক্ষে রায় দিয়েছে। তবে এখনো অনেক বিএনপি নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের দায়ের করা মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “দেশে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলা নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা উচিত ছিল, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি বন্ধ হয়।”

বিএনপি নেতারা মনে করছেন, এই রায় প্রমাণ করে সরকার বিরোধী নেতাকর্মীদের দমন করতে রাজনৈতিক মামলার আশ্রয় নিয়েছে। তারা এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

আদালতের এ রায়ে খালাসপ্রাপ্তরা দীর্ঘদিন ধরে মামলার চাপ ও আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। এই রায়ের মাধ্যমে তারা আইনি লড়াইয়ে বিজয়ী হলেও, রাজনৈতিকভাবে তাদের ক্ষতির কোনো ক্ষতিপূরণ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।

এ রায় বিএনপির পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং একে ন্যায়বিচারের জয় বলে অভিহিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ ৯ নেতাকর্মী বিস্ফোরক মামলায় খালাস

আপডেট সময় ০২:৫০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ ৯ জন নেতাকর্মী বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন।

আরও পড়ুন  বড়সড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ব্রিটেন? জেট ও বিস্ফোরকে বাড়ছে বিনিয়োগ

সোমবার (১৬ জুন) ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৪-এর বিচারক রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি, ফলে আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের হরতালের সময় রাজধানীর সূত্রাপুর থানাধীন এলাকায় একটি লেগুনা গাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে পাঁচজন দগ্ধ হন এবং গাড়িটি পুড়ে যায়। ওই ঘটনায় বিএনপির প্রয়াত নেতা সাদেক হোসেন খোকা, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

তবে মামলার বিচার চলাকালে আসামি সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যু হওয়ায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, “এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা ছিল। আমি শুরু থেকেই নির্দোষ ছিলাম। আজ আদালত সত্যের পক্ষে রায় দিয়েছে। তবে এখনো অনেক বিএনপি নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের দায়ের করা মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “দেশে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলা নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা উচিত ছিল, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি বন্ধ হয়।”

বিএনপি নেতারা মনে করছেন, এই রায় প্রমাণ করে সরকার বিরোধী নেতাকর্মীদের দমন করতে রাজনৈতিক মামলার আশ্রয় নিয়েছে। তারা এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

আদালতের এ রায়ে খালাসপ্রাপ্তরা দীর্ঘদিন ধরে মামলার চাপ ও আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। এই রায়ের মাধ্যমে তারা আইনি লড়াইয়ে বিজয়ী হলেও, রাজনৈতিকভাবে তাদের ক্ষতির কোনো ক্ষতিপূরণ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।

এ রায় বিএনপির পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং একে ন্যায়বিচারের জয় বলে অভিহিত করা হয়েছে।