ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, পালালো ডাকাত দল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 199

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবনের গহীনে ডাকাত দলের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। সোমবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সুন্দরবনের পুরাতন ঝাপসি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলার অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবরার হাসান।

আরও পড়ুন  অপারেশন ডেভিল হান্ট: ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে গ্রেপ্তার ৬১৮, অভিযান অব্যাহত

তিনি জানান, গোপন সূত্রে খবর আসে দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকায় জড়ো হয়েছে। খবর পাওয়ার পর কোস্টগার্ডের একটি বিশেষ টিম দুপুর দুইটার দিকে অভিযানে নামে।

অভিযান টের পেয়ে ডাকাতরা তাদের ব্যবহৃত নৌকা ফেলে গভীর বনে পালিয়ে যায়। পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি একনলা বন্দুক, ১১ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ ও অস্ত্র তৈরির নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

তবে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে বলে জানান কোস্টগার্ড কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্টগার্ড নিয়মিত টহল দিচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার টহলের ফলে এসব এলাকায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় জলদস্যু ও বন ডাকাতদের উপস্থিতি কমলেও, তারা এখনও মাঝে মাঝে সক্রিয় হয়ে উঠছে। তাই কোস্টগার্ডের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, সুন্দরবন ঘিরে গড়ে ওঠা ডাকাত চক্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে বনজ সম্পদ লুট, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে এসব চক্র অনেকটাই কোণঠাসা হলেও এখনো পুরোপুরি নির্মূল হয়নি।

কোস্টগার্ডের এই অভিযান সেই লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, পালালো ডাকাত দল

আপডেট সময় ০১:৪১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

 

সুন্দরবনের গহীনে ডাকাত দলের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। সোমবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সুন্দরবনের পুরাতন ঝাপসি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলার অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবরার হাসান।

আরও পড়ুন  খাইবার পাখতুনখোয়ায় তিনটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ বিদ্রোহী নিহত

তিনি জানান, গোপন সূত্রে খবর আসে দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকায় জড়ো হয়েছে। খবর পাওয়ার পর কোস্টগার্ডের একটি বিশেষ টিম দুপুর দুইটার দিকে অভিযানে নামে।

অভিযান টের পেয়ে ডাকাতরা তাদের ব্যবহৃত নৌকা ফেলে গভীর বনে পালিয়ে যায়। পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি একনলা বন্দুক, ১১ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ ও অস্ত্র তৈরির নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

তবে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে বলে জানান কোস্টগার্ড কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্টগার্ড নিয়মিত টহল দিচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার টহলের ফলে এসব এলাকায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় জলদস্যু ও বন ডাকাতদের উপস্থিতি কমলেও, তারা এখনও মাঝে মাঝে সক্রিয় হয়ে উঠছে। তাই কোস্টগার্ডের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, সুন্দরবন ঘিরে গড়ে ওঠা ডাকাত চক্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে বনজ সম্পদ লুট, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে এসব চক্র অনেকটাই কোণঠাসা হলেও এখনো পুরোপুরি নির্মূল হয়নি।

কোস্টগার্ডের এই অভিযান সেই লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।