০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান কোচিং সেন্টার বন্ধসহ নানা নিয়মের শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত

ভাসানচরে ট্রলারডুবি: দুইজনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ এখনও তিনজন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 169

ছবি সংগৃহীত

 

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচরে মর্মান্তিক ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন, যাদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম।

শনিবার (৩১ মে) রাত পর্যন্ত টানা অভিযান চালিয়ে উদ্ধারকর্মীরা নদী থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ এবং স্থানীয় জেলেরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে মেঘনা নদীর ভাসানচর-জনতা বাজার নৌরুটের করিম বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী একটি ট্রলার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ট্রলারটি ভাসানচর থেকে জনতা বাজারের দিকে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনার সময় ট্রলারটিতে ছিলেন ২২ জন সাধারণ যাত্রী, ছয়জন রোহিঙ্গা, তিনজন পুলিশ সদস্য, চারজন আনসার সদস্য এবং চারজন নৌযান কর্মী। মোট ৩৯ জন যাত্রীর মধ্যে একটি মাছ ধরার ট্রলার তাৎক্ষণিকভাবে পাশে এগিয়ে এসে ৩০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।

দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ড এবং নৌপুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জীবিতদের উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন।

জনতা বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শহীদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “ট্রলারডুবির খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। রাত পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

উল্লেখ্য, মেঘনা নদীর এই নৌরুটটি বর্ষা মৌসুমে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিক যাত্রীবোঝাই এবং নিরাপত্তার অভাবে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয় ট্রলারগুলো। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্রলার চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এই ঘটনার পর ভাসানচর ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্বজনদের উৎকণ্ঠা যেন থামছেই না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভাসানচরে ট্রলারডুবি: দুইজনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ এখনও তিনজন

আপডেট সময় ০১:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচরে মর্মান্তিক ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন, যাদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম।

শনিবার (৩১ মে) রাত পর্যন্ত টানা অভিযান চালিয়ে উদ্ধারকর্মীরা নদী থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ এবং স্থানীয় জেলেরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে মেঘনা নদীর ভাসানচর-জনতা বাজার নৌরুটের করিম বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী একটি ট্রলার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ট্রলারটি ভাসানচর থেকে জনতা বাজারের দিকে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনার সময় ট্রলারটিতে ছিলেন ২২ জন সাধারণ যাত্রী, ছয়জন রোহিঙ্গা, তিনজন পুলিশ সদস্য, চারজন আনসার সদস্য এবং চারজন নৌযান কর্মী। মোট ৩৯ জন যাত্রীর মধ্যে একটি মাছ ধরার ট্রলার তাৎক্ষণিকভাবে পাশে এগিয়ে এসে ৩০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।

দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ড এবং নৌপুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জীবিতদের উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন।

জনতা বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শহীদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “ট্রলারডুবির খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। রাত পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

উল্লেখ্য, মেঘনা নদীর এই নৌরুটটি বর্ষা মৌসুমে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিক যাত্রীবোঝাই এবং নিরাপত্তার অভাবে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয় ট্রলারগুলো। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্রলার চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এই ঘটনার পর ভাসানচর ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্বজনদের উৎকণ্ঠা যেন থামছেই না।