ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকায় বসা নিয়ে দ্বন্দ্ব: সহযাত্রীর ঘুষিতে১ জনের মৃত্যু মেসেজে ‘কবুল’ লিখলেই কি বিয়ে হয়ে যায়? নিখোঁজের ২৪ দিন পর খোঁজ মিলল পরিচালক উৎসবের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কালবৈশাখীর তান্ডব ও বজ্রপাতে সারা দেশে ১২ জনের মৃত্যু তপ্ত রোদের পর বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা; জনজীবনে স্বস্তি এস্তোনিয়া—ডিজিটাল রাষ্ট্র, প্রাচীন শহর আর নীরব প্রকৃতির দেশ সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে, অ্যাটর্নি জেনারেল সোমবার সুন্নাহ সিয়াম পালনের দিন, প্রস্তুতি নিন আজই তথ্যমন্ত্রীর সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সংবাদমাধ্যমে সংযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব

বিমসটেক সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ: আঞ্চলিক সহযোগিতার বার্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 234

ছবি: সংগৃহীত

 

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক (বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরাসুরিয়ার মধ্যে।

শুক্রবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর সাক্ষাতের মুহূর্তগুলো ছবি আকারে প্রকাশ করেছে, যা ইতিমধ্যেই দৃষ্টি কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

আরও পড়ুন  জনরোষের মুখে পদত্যাগ করলেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানিমন্ত্রী

আলোচনায় উঠে এসেছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নানা দিক। উভয় নেতা বিমসটেকের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বাংলাদেশ এবারের সম্মেলনের পর আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতিত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই দায়িত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সামনে খুলে যাচ্ছে এক নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নেতৃত্বদানের সুযোগ পাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে অধিক সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিমসটেক এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে, যেখানে বাংলাদেশ তার কৌশলগত অবস্থান এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ ও ভবিষ্যৎ দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্য কেবল সম্মানজনক নয়, বরং তা একটি নতুন আঞ্চলিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিমসটেক সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ: আঞ্চলিক সহযোগিতার বার্তা

আপডেট সময় ০২:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক (বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরাসুরিয়ার মধ্যে।

শুক্রবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর সাক্ষাতের মুহূর্তগুলো ছবি আকারে প্রকাশ করেছে, যা ইতিমধ্যেই দৃষ্টি কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

আরও পড়ুন  প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কা নারী দল

আলোচনায় উঠে এসেছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নানা দিক। উভয় নেতা বিমসটেকের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বাংলাদেশ এবারের সম্মেলনের পর আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতিত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই দায়িত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সামনে খুলে যাচ্ছে এক নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নেতৃত্বদানের সুযোগ পাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে অধিক সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিমসটেক এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে, যেখানে বাংলাদেশ তার কৌশলগত অবস্থান এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ ও ভবিষ্যৎ দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্য কেবল সম্মানজনক নয়, বরং তা একটি নতুন আঞ্চলিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।