ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে ও বোন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, সৌদির কাছে জবাব চেয়েছে ঢাকা জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের পদ হারালেন আশরাফুল পদত্যাগ না করলে নাহিদের নৈতিক ভিত্তি থাকবে না: রাশেদ খাঁন এইচএসসি পরীক্ষার ফল ২৯ অক্টোবর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ মিরপুরে দুই যুবক গ্রেফতার বিরোধীদলের নোট অব ডিসেন্ট শিথিলের প্রস্তাব বৈঠকে দিতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ যুবলীগ-ছাত্রলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা, এসআইসহ আহত ৩

জীবদ্দশায় জাতীয় পুরস্কার প্রদানের নিয়ম চালু করার প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / 584

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় পুরস্কার যেন জীবিত অবস্থায়ই সম্মানিত ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এমন মানবিক ও সময়োপযোগী চিন্তার প্রতিফলন ঘটালেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জীবিত অবস্থায় সম্মান পেলে তা ব্যক্তি, পরিবার এবং দেশের জন্য এক অপূর্ব আনন্দের উৎস। কিন্তু আমরা অনেক সময়েই সেই আনন্দ কেড়ে নিই মরণোত্তর পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে।”

আরও পড়ুন  তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগ: প্রধান উপদেষ্টা

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে যাদের আমরা সম্মান জানাচ্ছি, তারা আমাদের মাঝে নেই। এটা কষ্টের, কারণ তারা নিজ চোখে এই জাতীয় স্বীকৃতি দেখার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেননি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি একটি সুস্পষ্ট নীতি গ্রহণ করি যাতে মরণোত্তর পুরস্কারের পরিবর্তে জীবিতদের সম্মান জানানো যায়, তাহলে জাতি হিসেবে আমরা কৃতজ্ঞতা ও মানবিকতার একটি শক্ত বার্তা দিতে পারি।”

পুরস্কারপ্রাপ্তদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “তাদের কাজ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এই গুণীজনেরা শুধু আমাদের সম্মানিত করেছেন না, বরং তারা আমাদের জাতির পরিচয় বিশ্বদরবারে উজ্জ্বল করেছেন।”

তিনি সতর্ক করে দেন, “যদি আমরা জীবিত অবস্থায় তাঁদের স্মরণ না করি, তাহলে ইতিহাসের কাছে আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে পরিগণিত হব। যথাসময়ে সম্মান দেওয়াই প্রকৃত কৃতজ্ঞতার পরিচয়।”

দেশপ্রেম, কৃতজ্ঞতা ও মানবিকতার চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে অধ্যাপক ইউনূসের এই বক্তব্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দিয়েছে জাতীয় পুরস্কার প্রদানের প্রক্রিয়ায়। জাতির বিবেক হিসেবে তাঁর এই আহ্বান আগামী দিনের নীতিনির্ধারণে গভীর প্রভাব ফেলবে বলেই আশাবাদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

জীবদ্দশায় জাতীয় পুরস্কার প্রদানের নিয়ম চালু করার প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান 

আপডেট সময় ০৪:৩২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় পুরস্কার যেন জীবিত অবস্থায়ই সম্মানিত ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এমন মানবিক ও সময়োপযোগী চিন্তার প্রতিফলন ঘটালেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জীবিত অবস্থায় সম্মান পেলে তা ব্যক্তি, পরিবার এবং দেশের জন্য এক অপূর্ব আনন্দের উৎস। কিন্তু আমরা অনেক সময়েই সেই আনন্দ কেড়ে নিই মরণোত্তর পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে।”

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে আজ মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে যাদের আমরা সম্মান জানাচ্ছি, তারা আমাদের মাঝে নেই। এটা কষ্টের, কারণ তারা নিজ চোখে এই জাতীয় স্বীকৃতি দেখার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেননি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি একটি সুস্পষ্ট নীতি গ্রহণ করি যাতে মরণোত্তর পুরস্কারের পরিবর্তে জীবিতদের সম্মান জানানো যায়, তাহলে জাতি হিসেবে আমরা কৃতজ্ঞতা ও মানবিকতার একটি শক্ত বার্তা দিতে পারি।”

পুরস্কারপ্রাপ্তদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “তাদের কাজ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এই গুণীজনেরা শুধু আমাদের সম্মানিত করেছেন না, বরং তারা আমাদের জাতির পরিচয় বিশ্বদরবারে উজ্জ্বল করেছেন।”

তিনি সতর্ক করে দেন, “যদি আমরা জীবিত অবস্থায় তাঁদের স্মরণ না করি, তাহলে ইতিহাসের কাছে আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে পরিগণিত হব। যথাসময়ে সম্মান দেওয়াই প্রকৃত কৃতজ্ঞতার পরিচয়।”

দেশপ্রেম, কৃতজ্ঞতা ও মানবিকতার চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে অধ্যাপক ইউনূসের এই বক্তব্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দিয়েছে জাতীয় পুরস্কার প্রদানের প্রক্রিয়ায়। জাতির বিবেক হিসেবে তাঁর এই আহ্বান আগামী দিনের নীতিনির্ধারণে গভীর প্রভাব ফেলবে বলেই আশাবাদ।