ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

আপিল বিভাগে দুই নতুন বিচারপতির শপথ: বিচার বিভাগের ইতিহাসে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / 273

ছবি সংগৃহীত

 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে যুক্ত হলেন দুই অভিজ্ঞ বিচারপতি বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথ পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আজিজ আহমদ ভূঞা। এই নিয়োগের ফলে আপিল বিভাগে বিচারক সংখ্যা বাড়ল এবং বিচার কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যুক্ত হওয়ার আশা করছেন আইনজীবী মহল।

আরও পড়ুন  সুপ্রিম কোর্টে জামিন পেলেন ইমরান খান, তবে থাকছেন কারাগারেই

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের আলোকে সোমবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই দুই বিচারপতিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেন। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগ কার্যকর হয়েছে মঙ্গলবার থেকে।

দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠার সাক্ষ্য বহন করা এই দুই বিচারপতির পেশাগত জীবন ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনকারী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে এবং ১৯৮৫ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবেও স্বীকৃতি পান তিনি। বিচারক হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয় ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট, হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে। পরে ২০০৫ সালে তিনি স্থায়ী বিচারপতির মর্যাদা পান। বর্তমানে তিনি জুডিসিয়াল অ্যাপয়েনমেন্ট কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রিধারী বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ১৯৯২ সালে জেলা আদালতে, ১৯৯৪ সালে হাইকোর্টে এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালে স্থায়ী বিচারপতির পদে আসীন হন।

এই দুই বিচারপতির নিয়োগ বিচার বিভাগকে আরও কার্যকর, গতিশীল এবং গণমুখী করে তুলবে এমন প্রত্যাশা জানিয়েছেন বিচার সংশ্লিষ্টরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপিল বিভাগে দুই নতুন বিচারপতির শপথ: বিচার বিভাগের ইতিহাসে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়

আপডেট সময় ০১:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে যুক্ত হলেন দুই অভিজ্ঞ বিচারপতি বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথ পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আজিজ আহমদ ভূঞা। এই নিয়োগের ফলে আপিল বিভাগে বিচারক সংখ্যা বাড়ল এবং বিচার কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যুক্ত হওয়ার আশা করছেন আইনজীবী মহল।

আরও পড়ুন  নিয়োগবঞ্চিত ১,১৩৭ জনকে ১৭ বছর পর পুনঃনিয়োগের নির্দেশ আপিল বিভাগের

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের আলোকে সোমবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই দুই বিচারপতিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেন। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগ কার্যকর হয়েছে মঙ্গলবার থেকে।

দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠার সাক্ষ্য বহন করা এই দুই বিচারপতির পেশাগত জীবন ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনকারী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে এবং ১৯৮৫ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবেও স্বীকৃতি পান তিনি। বিচারক হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয় ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট, হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে। পরে ২০০৫ সালে তিনি স্থায়ী বিচারপতির মর্যাদা পান। বর্তমানে তিনি জুডিসিয়াল অ্যাপয়েনমেন্ট কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রিধারী বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ১৯৯২ সালে জেলা আদালতে, ১৯৯৪ সালে হাইকোর্টে এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালে স্থায়ী বিচারপতির পদে আসীন হন।

এই দুই বিচারপতির নিয়োগ বিচার বিভাগকে আরও কার্যকর, গতিশীল এবং গণমুখী করে তুলবে এমন প্রত্যাশা জানিয়েছেন বিচার সংশ্লিষ্টরা।