০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া: হাসনাতের অভিযোগ ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 108

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক দাবিকে “রাজনৈতিক স্টান্টবাজি” বলে আখ্যা দিয়েছে সেনাসদর। শনিবার নেত্র নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এসব বক্তব্য নিছক কল্পনাপ্রসূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।

গত শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নতুনভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে সেনানিবাস থেকে, যার নেপথ্যে রয়েছে ভারতের পরিকল্পনা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন চৌধুরী ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে সামনে রেখে এই নতুন দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

হাসনাত দাবি করেন, ১১ই মার্চ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সেনানিবাসে একটি গোপন বৈঠকে তাদেরকে এই প্রস্তাব জানানো হয় এবং সম্ভাব্য আসন বণ্টনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

এই প্রসঙ্গে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করে জানায়, হাসনাত ও সারজিস আলম দীর্ঘদিন ধরেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। মিলিটারি এডভাইজারের সঙ্গে ফোনালাপের পর ১১ই মার্চ তারা সেনাভবনে অপেক্ষা করেন এবং সেদিন বিকেলে সেনাপ্রধান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল একান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ, যেখানে রাজনৈতিক কোনো প্রস্তাব বা আলোচনার প্রসঙ্গ ছিল না।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, “এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে একজন ছাত্রনেতা শুধু নিজের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন না, বরং জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তার কথাগুলো হাস্যকর ও কল্পনাভিত্তিক গল্পের মতো।”

নেত্র নিউজকে সেনাবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই সাক্ষাৎ মূলত হাসনাত ও সারজিস আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই হয়েছিল। এটি তাদের দলীয় অবস্থান থেকে অনুমোদিত ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

সেনাসদরের এই বিবৃতির পর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া: হাসনাতের অভিযোগ ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’

আপডেট সময় ০৪:০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক দাবিকে “রাজনৈতিক স্টান্টবাজি” বলে আখ্যা দিয়েছে সেনাসদর। শনিবার নেত্র নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এসব বক্তব্য নিছক কল্পনাপ্রসূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।

গত শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নতুনভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে সেনানিবাস থেকে, যার নেপথ্যে রয়েছে ভারতের পরিকল্পনা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন চৌধুরী ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে সামনে রেখে এই নতুন দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

হাসনাত দাবি করেন, ১১ই মার্চ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সেনানিবাসে একটি গোপন বৈঠকে তাদেরকে এই প্রস্তাব জানানো হয় এবং সম্ভাব্য আসন বণ্টনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

এই প্রসঙ্গে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করে জানায়, হাসনাত ও সারজিস আলম দীর্ঘদিন ধরেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। মিলিটারি এডভাইজারের সঙ্গে ফোনালাপের পর ১১ই মার্চ তারা সেনাভবনে অপেক্ষা করেন এবং সেদিন বিকেলে সেনাপ্রধান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল একান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ, যেখানে রাজনৈতিক কোনো প্রস্তাব বা আলোচনার প্রসঙ্গ ছিল না।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, “এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে একজন ছাত্রনেতা শুধু নিজের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন না, বরং জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তার কথাগুলো হাস্যকর ও কল্পনাভিত্তিক গল্পের মতো।”

নেত্র নিউজকে সেনাবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই সাক্ষাৎ মূলত হাসনাত ও সারজিস আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই হয়েছিল। এটি তাদের দলীয় অবস্থান থেকে অনুমোদিত ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

সেনাসদরের এই বিবৃতির পর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।