ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া: হাসনাতের অভিযোগ ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 394

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক দাবিকে “রাজনৈতিক স্টান্টবাজি” বলে আখ্যা দিয়েছে সেনাসদর। শনিবার নেত্র নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এসব বক্তব্য নিছক কল্পনাপ্রসূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।

গত শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নতুনভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে সেনানিবাস থেকে, যার নেপথ্যে রয়েছে ভারতের পরিকল্পনা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন চৌধুরী ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে সামনে রেখে এই নতুন দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

হাসনাত দাবি করেন, ১১ই মার্চ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সেনানিবাসে একটি গোপন বৈঠকে তাদেরকে এই প্রস্তাব জানানো হয় এবং সম্ভাব্য আসন বণ্টনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

এই প্রসঙ্গে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করে জানায়, হাসনাত ও সারজিস আলম দীর্ঘদিন ধরেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। মিলিটারি এডভাইজারের সঙ্গে ফোনালাপের পর ১১ই মার্চ তারা সেনাভবনে অপেক্ষা করেন এবং সেদিন বিকেলে সেনাপ্রধান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল একান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ, যেখানে রাজনৈতিক কোনো প্রস্তাব বা আলোচনার প্রসঙ্গ ছিল না।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, “এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে একজন ছাত্রনেতা শুধু নিজের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন না, বরং জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তার কথাগুলো হাস্যকর ও কল্পনাভিত্তিক গল্পের মতো।”

নেত্র নিউজকে সেনাবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই সাক্ষাৎ মূলত হাসনাত ও সারজিস আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই হয়েছিল। এটি তাদের দলীয় অবস্থান থেকে অনুমোদিত ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

সেনাসদরের এই বিবৃতির পর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া: হাসনাতের অভিযোগ ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’

আপডেট সময় ০৪:০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক দাবিকে “রাজনৈতিক স্টান্টবাজি” বলে আখ্যা দিয়েছে সেনাসদর। শনিবার নেত্র নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এসব বক্তব্য নিছক কল্পনাপ্রসূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।

গত শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নতুনভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে সেনানিবাস থেকে, যার নেপথ্যে রয়েছে ভারতের পরিকল্পনা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন চৌধুরী ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে সামনে রেখে এই নতুন দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

হাসনাত দাবি করেন, ১১ই মার্চ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সেনানিবাসে একটি গোপন বৈঠকে তাদেরকে এই প্রস্তাব জানানো হয় এবং সম্ভাব্য আসন বণ্টনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

এই প্রসঙ্গে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করে জানায়, হাসনাত ও সারজিস আলম দীর্ঘদিন ধরেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। মিলিটারি এডভাইজারের সঙ্গে ফোনালাপের পর ১১ই মার্চ তারা সেনাভবনে অপেক্ষা করেন এবং সেদিন বিকেলে সেনাপ্রধান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল একান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ, যেখানে রাজনৈতিক কোনো প্রস্তাব বা আলোচনার প্রসঙ্গ ছিল না।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, “এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে একজন ছাত্রনেতা শুধু নিজের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন না, বরং জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তার কথাগুলো হাস্যকর ও কল্পনাভিত্তিক গল্পের মতো।”

নেত্র নিউজকে সেনাবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই সাক্ষাৎ মূলত হাসনাত ও সারজিস আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই হয়েছিল। এটি তাদের দলীয় অবস্থান থেকে অনুমোদিত ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

সেনাসদরের এই বিবৃতির পর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।