ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া: হাসনাতের অভিযোগ ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 507

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক দাবিকে “রাজনৈতিক স্টান্টবাজি” বলে আখ্যা দিয়েছে সেনাসদর। শনিবার নেত্র নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এসব বক্তব্য নিছক কল্পনাপ্রসূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।

গত শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নতুনভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে সেনানিবাস থেকে, যার নেপথ্যে রয়েছে ভারতের পরিকল্পনা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন চৌধুরী ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে সামনে রেখে এই নতুন দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে

হাসনাত দাবি করেন, ১১ই মার্চ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সেনানিবাসে একটি গোপন বৈঠকে তাদেরকে এই প্রস্তাব জানানো হয় এবং সম্ভাব্য আসন বণ্টনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

এই প্রসঙ্গে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করে জানায়, হাসনাত ও সারজিস আলম দীর্ঘদিন ধরেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। মিলিটারি এডভাইজারের সঙ্গে ফোনালাপের পর ১১ই মার্চ তারা সেনাভবনে অপেক্ষা করেন এবং সেদিন বিকেলে সেনাপ্রধান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল একান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ, যেখানে রাজনৈতিক কোনো প্রস্তাব বা আলোচনার প্রসঙ্গ ছিল না।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, “এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে একজন ছাত্রনেতা শুধু নিজের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন না, বরং জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তার কথাগুলো হাস্যকর ও কল্পনাভিত্তিক গল্পের মতো।”

নেত্র নিউজকে সেনাবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই সাক্ষাৎ মূলত হাসনাত ও সারজিস আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই হয়েছিল। এটি তাদের দলীয় অবস্থান থেকে অনুমোদিত ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

সেনাসদরের এই বিবৃতির পর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া: হাসনাতের অভিযোগ ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’

আপডেট সময় ০৪:০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক দাবিকে “রাজনৈতিক স্টান্টবাজি” বলে আখ্যা দিয়েছে সেনাসদর। শনিবার নেত্র নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এসব বক্তব্য নিছক কল্পনাপ্রসূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।

গত শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নতুনভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে সেনানিবাস থেকে, যার নেপথ্যে রয়েছে ভারতের পরিকল্পনা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন চৌধুরী ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে সামনে রেখে এই নতুন দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক কোরবানি হয়নি, তাই এবার বড় গরুর বিক্রি কম: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

হাসনাত দাবি করেন, ১১ই মার্চ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সেনানিবাসে একটি গোপন বৈঠকে তাদেরকে এই প্রস্তাব জানানো হয় এবং সম্ভাব্য আসন বণ্টনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

এই প্রসঙ্গে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করে জানায়, হাসনাত ও সারজিস আলম দীর্ঘদিন ধরেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। মিলিটারি এডভাইজারের সঙ্গে ফোনালাপের পর ১১ই মার্চ তারা সেনাভবনে অপেক্ষা করেন এবং সেদিন বিকেলে সেনাপ্রধান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল একান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ, যেখানে রাজনৈতিক কোনো প্রস্তাব বা আলোচনার প্রসঙ্গ ছিল না।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, “এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে একজন ছাত্রনেতা শুধু নিজের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন না, বরং জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তার কথাগুলো হাস্যকর ও কল্পনাভিত্তিক গল্পের মতো।”

নেত্র নিউজকে সেনাবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই সাক্ষাৎ মূলত হাসনাত ও সারজিস আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই হয়েছিল। এটি তাদের দলীয় অবস্থান থেকে অনুমোদিত ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

সেনাসদরের এই বিবৃতির পর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।