ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ন্যাটোর শীর্ষ পদে আর একক আধিপত্য নয়, বড় পরিবর্তনের পথে যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 367

ছবি: সংগৃহীত

 

ন্যাটোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদ SACEUR—যেটা ১৯৫১ সাল থেকে সবসময়ই মার্কিন জেনারেলদের হাতে ছিল—সেখানে এবার পরিবর্তন আসছে। পেন্টাগন চাচ্ছে, এই একক নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়ে নতুন নিয়ম চালু করতে।

এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা না, বরং পুরো প্রতিরক্ষা খাতে বড় একটা পুনর্গঠনের অংশ। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপ ও আফ্রিকা কমান্ড একীভূত করার কথাও ভাবা হচ্ছে। এতে প্রথম বছরেই ২৭০ মিলিয়ন ডলার খরচ কমবে, যদিও সেটা বিশাল ৮৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের তুলনায় খুবই ছোট।

আরও পড়ুন  বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি রেকর্ড, ঘাটতিও চরমে

এই পরিবর্তন মানে শুধু একটা পদ হাতছাড়া হওয়া নয়, বরং ন্যাটোর নেতৃত্ব আর ইউরোপের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনার শুরু। এতদিন ন্যাটোর সামরিক সিদ্ধান্তগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত আমেরিকার হাতে ছিল। এবার ইউরোপীয় দেশগুলো কীভাবে নেতৃত্ব নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ন্যাটোর শীর্ষ পদে আর একক আধিপত্য নয়, বড় পরিবর্তনের পথে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৮:২৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ন্যাটোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদ SACEUR—যেটা ১৯৫১ সাল থেকে সবসময়ই মার্কিন জেনারেলদের হাতে ছিল—সেখানে এবার পরিবর্তন আসছে। পেন্টাগন চাচ্ছে, এই একক নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়ে নতুন নিয়ম চালু করতে।

এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা না, বরং পুরো প্রতিরক্ষা খাতে বড় একটা পুনর্গঠনের অংশ। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপ ও আফ্রিকা কমান্ড একীভূত করার কথাও ভাবা হচ্ছে। এতে প্রথম বছরেই ২৭০ মিলিয়ন ডলার খরচ কমবে, যদিও সেটা বিশাল ৮৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের তুলনায় খুবই ছোট।

আরও পড়ুন  বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি রেকর্ড, ঘাটতিও চরমে

এই পরিবর্তন মানে শুধু একটা পদ হাতছাড়া হওয়া নয়, বরং ন্যাটোর নেতৃত্ব আর ইউরোপের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনার শুরু। এতদিন ন্যাটোর সামরিক সিদ্ধান্তগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত আমেরিকার হাতে ছিল। এবার ইউরোপীয় দেশগুলো কীভাবে নেতৃত্ব নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।