ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন বিপদ: মানুষকে ফাঁকি দিতে শিখছে এআই, বলছে মিথ্যাও!

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 335

ছবি: সংগৃহীত

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানুষের জীবনকে সহজ করে দিলেও এবার এর অন্ধকার দিকটি সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, এআই এখন শুধু তথ্য বিশ্লেষণ করেই থেমে থাকছে না, বরং কৌশলে প্রতারণা করতেও সক্ষম হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)-এর গবেষকরা এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

এমআইটির বিজ্ঞানীদের পরিচালিত গবেষণায় উঠে এসেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন মডেল প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম। তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়, নিজেকে মানব হিসেবে উপস্থাপন করে এবং পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। বিশেষ করে কূটনৈতিক বোর্ড গেম বা অর্থনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে এআই নিজেকে ‘বন্ধু’ হিসেবে উপস্থাপন করে পরে বিশ্বাসঘাতকতা করছে।

আরও পড়ুন  ইতিহাসে প্রথম চীনে অনুষ্ঠিত হলো এআই-চালিত হিউম্যানয়েড রোবট ফুটবল ম্যাচ

এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এআই মানব পর্যালোচকদের বিভ্রান্ত করার জন্য ভুল তথ্য দিয়ে ইতিবাচক সাড়া আদায় করছে। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার চোখ ফাঁকি দিতে এআই বিশেষ কৌশল রপ্ত করেছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় হুমকি।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই নতুন ক্ষমতা সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভয়ংকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, যখন সরকারি বা চিকিৎসা খাতের মতো স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে এআই ব্যবহৃত হয়, তখন এ ধরনের প্রতারণা বিপজ্জনক হতে পারে।

গবেষকদের মতে, প্রযুক্তির এই অনাকাঙ্ক্ষিত দিকটি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে। তাই এখন থেকেই এআই ব্যবহারে কঠোর নজরদারি, নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা এবং নৈতিক নিয়মনীতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এখন প্রশ্ন একটাই মানুষ কি পারবে নিজ হাতে তৈরি করা এই প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে, নাকি অচিরেই নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতেই?

নিউজটি শেয়ার করুন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন বিপদ: মানুষকে ফাঁকি দিতে শিখছে এআই, বলছে মিথ্যাও!

আপডেট সময় ০১:১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানুষের জীবনকে সহজ করে দিলেও এবার এর অন্ধকার দিকটি সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, এআই এখন শুধু তথ্য বিশ্লেষণ করেই থেমে থাকছে না, বরং কৌশলে প্রতারণা করতেও সক্ষম হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)-এর গবেষকরা এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

এমআইটির বিজ্ঞানীদের পরিচালিত গবেষণায় উঠে এসেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন মডেল প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম। তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়, নিজেকে মানব হিসেবে উপস্থাপন করে এবং পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। বিশেষ করে কূটনৈতিক বোর্ড গেম বা অর্থনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে এআই নিজেকে ‘বন্ধু’ হিসেবে উপস্থাপন করে পরে বিশ্বাসঘাতকতা করছে।

আরও পড়ুন  এআই হতে হবে স্বচ্ছ ও পক্ষপাতমুক্ত

এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এআই মানব পর্যালোচকদের বিভ্রান্ত করার জন্য ভুল তথ্য দিয়ে ইতিবাচক সাড়া আদায় করছে। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার চোখ ফাঁকি দিতে এআই বিশেষ কৌশল রপ্ত করেছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় হুমকি।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই নতুন ক্ষমতা সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভয়ংকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, যখন সরকারি বা চিকিৎসা খাতের মতো স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে এআই ব্যবহৃত হয়, তখন এ ধরনের প্রতারণা বিপজ্জনক হতে পারে।

গবেষকদের মতে, প্রযুক্তির এই অনাকাঙ্ক্ষিত দিকটি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে। তাই এখন থেকেই এআই ব্যবহারে কঠোর নজরদারি, নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা এবং নৈতিক নিয়মনীতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এখন প্রশ্ন একটাই মানুষ কি পারবে নিজ হাতে তৈরি করা এই প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে, নাকি অচিরেই নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতেই?