ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

কোস্টগার্ডের অভিযান: সুন্দরবন থেকে ২৫ কেজি হরিণের মাংসসহ হরিণ শিকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / 409

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে, এবং তাদের সাফল্যে আরও একটি বড় শিকারি চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। বৃহস্পতিবার, কোস্টগার্ড পাঁচ শিকারিকে আটক করেছে, যারা সুন্দরবনের মরা লক্ষ্মী খাল এলাকায় হরিণ শিকারের চেষ্টা করছিল। এদের কাছে ২৫ কেজি হরিণের মাংস ও ৮০টি শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব শিকারি খুলনার কয়রা উপজেলার বাসিন্দা।

গতকাল, কোস্টগার্ডের সদস্যরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করেন। খুলনার নলিয়ান কোস্টগার্ডের সদস্যরা সুন্দরবনের শিবসা নদীর সংলগ্ন এলাকায় একটি নৌকা তল্লাশি করে, যেখানে হরিণের মাংস ও ফাঁদ পাওয়া যায়। তারা দ্রুত ওই পাঁচজনকে আটক করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীসহ ৯৬ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

বন বিভাগ জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম থেকেই সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ থেকে প্রায় ৪১১ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার হয়েছে। এতে মোট ৩০টি মামলা হয়েছে এবং ৭২ জন অভিযুক্ত হয়েছেন। শুধু গত ৬ মার্চ, কয়রা থানা পুলিশ ৮ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

সুন্দরবনের শিকারি চক্রের সদস্যরা সাধারণত জেলেদের ছদ্মবেশে বনে ঢুকে একধরনের দড়ির ফাঁদ স্থাপন করে, যাতে হরিণ আটকা পড়ে। এরপর, তারা বনরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে হরিণ জবাই করে, তার মাংস স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শিকারি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তারা স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বাড়ানোর কাজও করছে। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, “আমরা স্থানীয়দের সচেতন করার পাশাপাশি ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। শিকার ও পাচার ঠেকাতে স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে চলমান এই অভিযানের মাধ্যমে সুন্দরবনের বন্য প্রাণী রক্ষায় আশাবাদী কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

কোস্টগার্ডের অভিযান: সুন্দরবন থেকে ২৫ কেজি হরিণের মাংসসহ হরিণ শিকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে, এবং তাদের সাফল্যে আরও একটি বড় শিকারি চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। বৃহস্পতিবার, কোস্টগার্ড পাঁচ শিকারিকে আটক করেছে, যারা সুন্দরবনের মরা লক্ষ্মী খাল এলাকায় হরিণ শিকারের চেষ্টা করছিল। এদের কাছে ২৫ কেজি হরিণের মাংস ও ৮০টি শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব শিকারি খুলনার কয়রা উপজেলার বাসিন্দা।

গতকাল, কোস্টগার্ডের সদস্যরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করেন। খুলনার নলিয়ান কোস্টগার্ডের সদস্যরা সুন্দরবনের শিবসা নদীর সংলগ্ন এলাকায় একটি নৌকা তল্লাশি করে, যেখানে হরিণের মাংস ও ফাঁদ পাওয়া যায়। তারা দ্রুত ওই পাঁচজনকে আটক করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

আরও পড়ুন  দিনাজপুরের হিলিতে সরকারি দপ্তরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: গ্রেপ্তার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

বন বিভাগ জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম থেকেই সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ থেকে প্রায় ৪১১ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার হয়েছে। এতে মোট ৩০টি মামলা হয়েছে এবং ৭২ জন অভিযুক্ত হয়েছেন। শুধু গত ৬ মার্চ, কয়রা থানা পুলিশ ৮ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

সুন্দরবনের শিকারি চক্রের সদস্যরা সাধারণত জেলেদের ছদ্মবেশে বনে ঢুকে একধরনের দড়ির ফাঁদ স্থাপন করে, যাতে হরিণ আটকা পড়ে। এরপর, তারা বনরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে হরিণ জবাই করে, তার মাংস স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শিকারি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তারা স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বাড়ানোর কাজও করছে। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, “আমরা স্থানীয়দের সচেতন করার পাশাপাশি ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। শিকার ও পাচার ঠেকাতে স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে চলমান এই অভিযানের মাধ্যমে সুন্দরবনের বন্য প্রাণী রক্ষায় আশাবাদী কর্মকর্তারা।