ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ট্রাম্পের অভিযোগ: বাইডেনের আমলে ২ কোটির বেশি অবৈধ অভিবাসীর প্রবেশ, বাইডেন সরকারের সমালোচনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 498

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ অভিবাসী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এদের মধ্যে অনেককে ‘বিপজ্জনক অপরাধী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘‘বাইডেন প্রশাসন আমেরিকান জনগণের নিরাপত্তাকে বিপদে ফেলেছে।’’ দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম কংগ্রেসে ভাষণ দেন ট্রাম্প।

আরও পড়ুন  শীর্ষ আদালতকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: "হস্তক্ষেপ বন্ধ না হলে দেশ বিপদে পড়বে"

ট্রাম্পের ভাষণের মধ্যে গুরুত্ব পায় যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ। তিনি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়োজিত ‘ইউএস বর্ডার প্যাট্রল’ এর পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, বাইডেন প্রশাসন আসার পর প্রায় ৭০ লাখ অভিবাসীকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও এই পরিসংখ্যানের মধ্যে একাধিকবার সীমান্ত পার হওয়া অভিবাসীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া, ট্রাম্প তাঁর ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের হাতে নিহত নারীদের উদাহরণ তুলে ধরেন, যাদের মধ্যে লেকেন রিলে ও জোসেলিন নুঙ্গারেও ছিলেন। তিনি এসব উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, অবৈধ অভিবাসীদের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীরা স্থানীয়দের তুলনায় অপরাধ বেশি করে না, তবে ট্রাম্পের দাবি তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত, ‘আইসিই’ এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অপরাধে যুক্ত না থাকা অভিবাসীদের গ্রেপ্তার ও আটক হওয়া সংখ্যা ২২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সংকল্প প্রকাশ করেছে।

ট্রাম্প তাঁর ভাষণে এও প্রতিশ্রুতি দেন যে, তিনি সরকারের সেন্সরশিপের অবসান ঘটাবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাক্‌স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করবেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং তার প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আলোচনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের অভিযোগ: বাইডেনের আমলে ২ কোটির বেশি অবৈধ অভিবাসীর প্রবেশ, বাইডেন সরকারের সমালোচনা

আপডেট সময় ০২:১৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ অভিবাসী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এদের মধ্যে অনেককে ‘বিপজ্জনক অপরাধী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘‘বাইডেন প্রশাসন আমেরিকান জনগণের নিরাপত্তাকে বিপদে ফেলেছে।’’ দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম কংগ্রেসে ভাষণ দেন ট্রাম্প।

আরও পড়ুন  প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে সরকার

ট্রাম্পের ভাষণের মধ্যে গুরুত্ব পায় যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ। তিনি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়োজিত ‘ইউএস বর্ডার প্যাট্রল’ এর পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, বাইডেন প্রশাসন আসার পর প্রায় ৭০ লাখ অভিবাসীকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও এই পরিসংখ্যানের মধ্যে একাধিকবার সীমান্ত পার হওয়া অভিবাসীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া, ট্রাম্প তাঁর ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের হাতে নিহত নারীদের উদাহরণ তুলে ধরেন, যাদের মধ্যে লেকেন রিলে ও জোসেলিন নুঙ্গারেও ছিলেন। তিনি এসব উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, অবৈধ অভিবাসীদের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীরা স্থানীয়দের তুলনায় অপরাধ বেশি করে না, তবে ট্রাম্পের দাবি তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত, ‘আইসিই’ এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অপরাধে যুক্ত না থাকা অভিবাসীদের গ্রেপ্তার ও আটক হওয়া সংখ্যা ২২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সংকল্প প্রকাশ করেছে।

ট্রাম্প তাঁর ভাষণে এও প্রতিশ্রুতি দেন যে, তিনি সরকারের সেন্সরশিপের অবসান ঘটাবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাক্‌স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করবেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং তার প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আলোচনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।