ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পিরোজপুরে ১০ গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোজা পালন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • / 385

ছবি সংগৃহীত

 

পিরোজপুরের তিন উপজেলার ১০ গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার এবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রমজান পালন করছেন। শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ আদায়ের পর, আজ শনিবার থেকে তারা রোজা শুরু করেছেন।

জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া গ্রামের প্রায় সাত শতাধিক পরিবার এই নিয়মে রোজা রাখছেন। এছাড়া, কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ পরিবার এবং নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫ পরিবারও সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মধ্যে হামলার ঘটনায় আহত ৫

স্থানীয়দের মতে, এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রথা। নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমিন জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা কামরুজ্জামান জানান, তারা শুরেশ্বর পীরের অনুসারী। প্রতিবছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে রমজান, ঈদ-উল-ফিতর, ঈদ-উল-আযহা পালন করে আসছেন।

রঘুনাথপুর গ্রামের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল খান বলেন, তাদের ৩৫টি পরিবার প্রায় ১৫ থেকে ১৭ বছর ধরে এই রীতি অনুসরণ করছে। তাদের দেখাদেখি আরও অনেক পরিবার এই নিয়ম মেনে চলে।
শরীয়তপুরের শুরেশ্বর দরবার শরীফের মুরিদ মিরাজ খন্দকার বলেন, তারা প্রায় ৮০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন।

এভাবে সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে রোজা রাখার প্রথা পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে বহুকাল ধরে চলে আসছে এবং আগামী বছরগুলোতেও এটি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পিরোজপুরে ১০ গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোজা পালন

আপডেট সময় ০৩:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

 

পিরোজপুরের তিন উপজেলার ১০ গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার এবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রমজান পালন করছেন। শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ আদায়ের পর, আজ শনিবার থেকে তারা রোজা শুরু করেছেন।

জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া গ্রামের প্রায় সাত শতাধিক পরিবার এই নিয়মে রোজা রাখছেন। এছাড়া, কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ পরিবার এবং নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫ পরিবারও সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন  জেনে নিন: রোজা পালনে অসুস্থ ও অক্ষমদের জন্য ইসলামে বিশেষ ছাড় ও ফিদিয়ার বিধান

স্থানীয়দের মতে, এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রথা। নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমিন জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা কামরুজ্জামান জানান, তারা শুরেশ্বর পীরের অনুসারী। প্রতিবছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে রমজান, ঈদ-উল-ফিতর, ঈদ-উল-আযহা পালন করে আসছেন।

রঘুনাথপুর গ্রামের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল খান বলেন, তাদের ৩৫টি পরিবার প্রায় ১৫ থেকে ১৭ বছর ধরে এই রীতি অনুসরণ করছে। তাদের দেখাদেখি আরও অনেক পরিবার এই নিয়ম মেনে চলে।
শরীয়তপুরের শুরেশ্বর দরবার শরীফের মুরিদ মিরাজ খন্দকার বলেন, তারা প্রায় ৮০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন।

এভাবে সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে রোজা রাখার প্রথা পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে বহুকাল ধরে চলে আসছে এবং আগামী বছরগুলোতেও এটি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।