ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ মার্চ ২০২৫, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সারাদেশ

স্টারলিংককে বাংলাদেশে আনা হচ্ছে ইন্টারনেট ‘শাটডাউন’ চিরতরে বন্ধে করতে : প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক সেবা চালু হওয়ার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইন্টারনেট শাটডাউন সম্পূর্ণ বন্ধ করা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম মঙ্গলবার নিজ ফেসবুক পেজে এ কথা জানিয়েছেন।

শফিকুল আলম বলেন, “বাংলাদেশে একনায়কশাহী সরকারের শাসনামলে বহুবার ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিরোধী আন্দোলন দমন করতে। এই অমানবিক পদক্ষেপে লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, অনেকের চাকরি এবং চুক্তি চলে গেছে।”

স্টারলিংকের প্রবেশ বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোনো সরকারই পুরোপুরি ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারবে না, বিশেষ করে বিপিও (ব্যুসিনেস প্রসেস আউটসোর্সিং) প্রতিষ্ঠান, কল সেন্টার, এবং ফ্রিল্যান্সাররা এর আওতাধীন থাকবে, যাতে তাঁদের কর্মসংস্থান রক্ষা পাবে।

স্টারলিংক কীভাবে কাজ করে? গ্রাহকদের একটি বিশেষ ডিভাইস (টিভির অ্যানটেনার মতো) স্থাপন করতে হয়, যা পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এই ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হয় স্টারলিংকের রাউটার, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করেন।

স্টারলিংকের ইন্টারনেট গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ব্যবহারকারী ১০০ এমবিপিএসের বেশি গতি পেয়ে থাকেন।

বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বর্তমানে গড়ে ৪০ এমবিপিএস, যেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি ৫১ এমবিপিএস। যদিও গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়ে।

স্টারলিংকের এই সেবা বাংলাদেশে একটি নূতন বিপ্লব সৃষ্টি করবে, যা দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করবে এবং শাটডাউন পরিস্থিতিতে মানুষের ওপর প্রভাব কমাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৫০৫ বার পড়া হয়েছে

সারাদেশ

স্টারলিংককে বাংলাদেশে আনা হচ্ছে ইন্টারনেট ‘শাটডাউন’ চিরতরে বন্ধে করতে : প্রেস সচিব

আপডেট সময় ০২:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক সেবা চালু হওয়ার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইন্টারনেট শাটডাউন সম্পূর্ণ বন্ধ করা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম মঙ্গলবার নিজ ফেসবুক পেজে এ কথা জানিয়েছেন।

শফিকুল আলম বলেন, “বাংলাদেশে একনায়কশাহী সরকারের শাসনামলে বহুবার ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিরোধী আন্দোলন দমন করতে। এই অমানবিক পদক্ষেপে লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, অনেকের চাকরি এবং চুক্তি চলে গেছে।”

স্টারলিংকের প্রবেশ বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোনো সরকারই পুরোপুরি ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারবে না, বিশেষ করে বিপিও (ব্যুসিনেস প্রসেস আউটসোর্সিং) প্রতিষ্ঠান, কল সেন্টার, এবং ফ্রিল্যান্সাররা এর আওতাধীন থাকবে, যাতে তাঁদের কর্মসংস্থান রক্ষা পাবে।

স্টারলিংক কীভাবে কাজ করে? গ্রাহকদের একটি বিশেষ ডিভাইস (টিভির অ্যানটেনার মতো) স্থাপন করতে হয়, যা পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এই ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হয় স্টারলিংকের রাউটার, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করেন।

স্টারলিংকের ইন্টারনেট গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ব্যবহারকারী ১০০ এমবিপিএসের বেশি গতি পেয়ে থাকেন।

বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বর্তমানে গড়ে ৪০ এমবিপিএস, যেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি ৫১ এমবিপিএস। যদিও গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়ে।

স্টারলিংকের এই সেবা বাংলাদেশে একটি নূতন বিপ্লব সৃষ্টি করবে, যা দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করবে এবং শাটডাউন পরিস্থিতিতে মানুষের ওপর প্রভাব কমাবে।