ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

শরীয়তপুরে পেঁয়াজের দরপতনে দিশেহারা কৃষক, বাড়ছে লোকসানের বোঝা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 444

ছবি সংগৃহীত

 

শরীয়তপুরের কৃষকরা এই বছর পেয়াজ চাষে আশাবাদী ছিলেন, তবে বাজারের দরপতন এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌসুমে বৃষ্টিপাতের কারণে অতিরিক্ত খরচে বীজ কিনে চাষ করা পেয়াজের ফলন ভালো হলেও বাজারে তার যথাযথ দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। ফলস্বরূপ, তাঁদের মধ্যে মোটা অঙ্কের লোকসান হচ্ছে, এবং অনেকে পেঁয়াজ তুলতে ইতোমধ্যেই বিরত রয়েছেন।

এ বছর, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা এবং নড়িয়া উপজেলার কৃষকরা পেয়াজ চাষে ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৪,১২০ হেক্টর জমিতে পেয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বাস্তবে চাষ হয়েছে ৪,২৮০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু উৎপাদন খরচ এত বেশি যে, অনেক কৃষক বিক্রির পরও লাভের মুখ দেখছেন না।

আরও পড়ুন  বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় কৃষক, রংপুরে আলুর দাম কমায় হিমাগারে ভিড়

নড়িয়া উপজেলার কৃষক মজিবর শেখ বলেন, “বীজ, সার, কীটনাশক, সেচসহ মোট খরচ ছিল প্রায় ৮০ হাজার টাকা, তবে বাজারে তা বিক্রি করতে পারছি ৪৫ হাজার টাকায়, ফলে বড় ক্ষতি হচ্ছে।” অন্যদিকে, রাজ্জাক পাইক নামের একজন কৃষক জানান, “এভাবে চলতে থাকলে কৃষকরা আরও বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবে।”

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে কৃষকরা এই বছর কোনো লাভের আশা করতে পারবেন না। তবে তাঁরা আশা করছেন, মৌসুমে পেয়াজ আমদানি বন্ধ হলে দাম কিছুটা বাড়তে পারে, যা কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সাহায্য করবে।

এছাড়া, স্থানীয় কৃষকরা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি না করা হয়, যাতে স্থানীয় চাষিরা লাভবান হতে পারেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শরীয়তপুরে পেঁয়াজের দরপতনে দিশেহারা কৃষক, বাড়ছে লোকসানের বোঝা

আপডেট সময় ০৪:৪২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

শরীয়তপুরের কৃষকরা এই বছর পেয়াজ চাষে আশাবাদী ছিলেন, তবে বাজারের দরপতন এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌসুমে বৃষ্টিপাতের কারণে অতিরিক্ত খরচে বীজ কিনে চাষ করা পেয়াজের ফলন ভালো হলেও বাজারে তার যথাযথ দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। ফলস্বরূপ, তাঁদের মধ্যে মোটা অঙ্কের লোকসান হচ্ছে, এবং অনেকে পেঁয়াজ তুলতে ইতোমধ্যেই বিরত রয়েছেন।

এ বছর, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা এবং নড়িয়া উপজেলার কৃষকরা পেয়াজ চাষে ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৪,১২০ হেক্টর জমিতে পেয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বাস্তবে চাষ হয়েছে ৪,২৮০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু উৎপাদন খরচ এত বেশি যে, অনেক কৃষক বিক্রির পরও লাভের মুখ দেখছেন না।

আরও পড়ুন  অবৈধ ড্রেজিং বন্ধে সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড মোতায়েনের হুঁশিয়ারি রেলপথ উপদেষ্টার

নড়িয়া উপজেলার কৃষক মজিবর শেখ বলেন, “বীজ, সার, কীটনাশক, সেচসহ মোট খরচ ছিল প্রায় ৮০ হাজার টাকা, তবে বাজারে তা বিক্রি করতে পারছি ৪৫ হাজার টাকায়, ফলে বড় ক্ষতি হচ্ছে।” অন্যদিকে, রাজ্জাক পাইক নামের একজন কৃষক জানান, “এভাবে চলতে থাকলে কৃষকরা আরও বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবে।”

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে কৃষকরা এই বছর কোনো লাভের আশা করতে পারবেন না। তবে তাঁরা আশা করছেন, মৌসুমে পেয়াজ আমদানি বন্ধ হলে দাম কিছুটা বাড়তে পারে, যা কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সাহায্য করবে।

এছাড়া, স্থানীয় কৃষকরা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি না করা হয়, যাতে স্থানীয় চাষিরা লাভবান হতে পারেন।