ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যক্রম শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 202

ছবি: সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে এই কমিশন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

আরও পড়ুন  'বিশ্বজুড়ে বর্জ্যের সভ্যতা, আত্মবিনাশের পথে মানবজাতি': কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. ইউনূস

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও দুর্নীতিদমনসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য কমিশন গঠিত হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য সুপারিশ প্রদান করবে।

এর আগে বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।

কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসে এ কমিশন কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেশবাসীর নজরে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যক্রম শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে এই কমিশন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

আরও পড়ুন  'বিশ্বজুড়ে বর্জ্যের সভ্যতা, আত্মবিনাশের পথে মানবজাতি': কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. ইউনূস

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও দুর্নীতিদমনসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য কমিশন গঠিত হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য সুপারিশ প্রদান করবে।

এর আগে বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।

কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসে এ কমিশন কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেশবাসীর নজরে থাকবে।