ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যক্রম শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 364

ছবি: সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে এই কমিশন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

আরও পড়ুন  জুলাই সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের সূচনা হলো: প্রধান উপদেষ্টা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও দুর্নীতিদমনসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য কমিশন গঠিত হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য সুপারিশ প্রদান করবে।

এর আগে বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।

কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসে এ কমিশন কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেশবাসীর নজরে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যক্রম শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে এই কমিশন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

আরও পড়ুন  ভবিষ্যতে বিদেশে গরুর মাংস রফতানি করাও সরকারের লক্ষ্য: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও দুর্নীতিদমনসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য কমিশন গঠিত হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য সুপারিশ প্রদান করবে।

এর আগে বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।

কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসে এ কমিশন কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেশবাসীর নজরে থাকবে।