দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ
- আপডেট সময় ০৬:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 38
দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরুর পর ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’—দুদকের এমন ঘোষণাসংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার করা রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ রিটটি কার্যতালিকা থেকে ডিলিট করে দেন।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ গত রোববার আবেদনকারী হয়ে রিটটি করেন। শুনানির জন্য মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় রিটটি ১১২ নম্বর ক্রমিকে ছিল।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন, আইনজীবী ইউসুফ আলী ও জহিরুল ইসলাম মুসাসহ অন্যরা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসীম সরকার, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন ও শিহাব উদ্দিন খান।
পরে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ রিটটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। অবকাশ শেষে আগামী ২৫ অক্টোবরের পর হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে রিটটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।
রিট আবেদনকারীর আইনজীবীদের ভাষ্য, গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং সহকারী পরিচালক পৃথক দুটি প্রেস ব্রিফিং করেন। এসব ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্তের পর ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে জানানো হয়।
আইনজীবীদের দাবি, ওই প্রেস ব্রিফিং সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা ব্যক্তির মর্যাদা ও সুনামের সুরক্ষা এবং দুদকের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার লঙ্ঘন। এ কারণে ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়েছে, ওই দুই তারিখে দুদকের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালকদের করা প্রেস ব্রিফিং সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ এবং ২০১১ সালের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার লঙ্ঘন হওয়ায় কেন তা আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুদককে কোনো ধরনের প্রেস ব্রিফিং করা থেকে বিরত রাখার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছে।
রিটে চলমান কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত নিয়ে ভবিষ্যতে দুদক যাতে প্রেস ব্রিফিং না করে, সে বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদকে নিয়ে দুদকের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে একই গুরুত্ব দিয়ে তা প্রকাশের নির্দেশ দেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।
























