ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশ: খেলাধুলায় নিষিদ্ধ হলেন ট্রান্স নারীরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 354

ছবি সংগৃহীত

 

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সই করা নতুন নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে, খেলাধুলায় ট্রান্স নারীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এই আদেশের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি পদক্ষেপ নিয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খেলাধুলায় ট্রান্সজেন্ডার নারীদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে।
এই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বলা হয়েছে, পুরুষদের এবং মহিলাদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের জন্য শারীরিক এবং জৈবিক বৈশিষ্ট্য অনুসারে আলাদা দল হবে। এর ফলে, ট্রান্স নারীদের যেহেতু জৈবিকভাবে পুরুষ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই তারা মহিলাদের দলে খেলার সুযোগ পাবেন না।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের প্রতি বিভিন্ন সমাজিক গোষ্ঠী, বিশেষত এলজিবিটি+ আন্দোলন, তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন যে, এই নিষেধাজ্ঞা ট্রান্স সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। তবে, ট্রাম্পের সমর্থকরা যুক্তি দিয়েছেন যে, এটি ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার ন্যায্যতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন  গাজা যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসবে আরব নেতারা

অ্যাডভোকেট এবং ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকর্মীরা বলেছেন যে, এই ধরনের পদক্ষেপ থেকে সমাজে বিভাজন বাড়বে এবং ট্রান্স নারীদের সামাজিক স্বীকৃতি এবং সমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা জানান, “এটি আমাদের অধিকারের ওপর আঘাত, এবং আমাদের অধিকার লড়াইয়ের জন্য এটি বড় বাধা।”

ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপকে একটি “ন্যায্যতার” পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছে, যা বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের খেলাধুলায় ট্রান্সজেন্ডার নারীদের অংশগ্রহণের সময় অন্যান্য নারীদের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতায় অমিত সুবিধা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশে বিতর্ক চলছে। যেখানে একপক্ষ এর পক্ষ নিলেও অন্যপক্ষ তা মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দাবি করছে। দেশটির উচ্চ আদালতেও এ ব্যাপারে মামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশ: খেলাধুলায় নিষিদ্ধ হলেন ট্রান্স নারীরা

আপডেট সময় ০৪:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সই করা নতুন নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে, খেলাধুলায় ট্রান্স নারীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এই আদেশের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি পদক্ষেপ নিয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খেলাধুলায় ট্রান্সজেন্ডার নারীদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে।
এই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বলা হয়েছে, পুরুষদের এবং মহিলাদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের জন্য শারীরিক এবং জৈবিক বৈশিষ্ট্য অনুসারে আলাদা দল হবে। এর ফলে, ট্রান্স নারীদের যেহেতু জৈবিকভাবে পুরুষ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই তারা মহিলাদের দলে খেলার সুযোগ পাবেন না।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের প্রতি বিভিন্ন সমাজিক গোষ্ঠী, বিশেষত এলজিবিটি+ আন্দোলন, তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন যে, এই নিষেধাজ্ঞা ট্রান্স সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। তবে, ট্রাম্পের সমর্থকরা যুক্তি দিয়েছেন যে, এটি ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার ন্যায্যতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন আইন, অবৈধ হলো বহু বৈধ অভিবাসী

অ্যাডভোকেট এবং ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকর্মীরা বলেছেন যে, এই ধরনের পদক্ষেপ থেকে সমাজে বিভাজন বাড়বে এবং ট্রান্স নারীদের সামাজিক স্বীকৃতি এবং সমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা জানান, “এটি আমাদের অধিকারের ওপর আঘাত, এবং আমাদের অধিকার লড়াইয়ের জন্য এটি বড় বাধা।”

ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপকে একটি “ন্যায্যতার” পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছে, যা বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের খেলাধুলায় ট্রান্সজেন্ডার নারীদের অংশগ্রহণের সময় অন্যান্য নারীদের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতায় অমিত সুবিধা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশে বিতর্ক চলছে। যেখানে একপক্ষ এর পক্ষ নিলেও অন্যপক্ষ তা মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দাবি করছে। দেশটির উচ্চ আদালতেও এ ব্যাপারে মামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।