ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেল শ্রমিক গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / 193

ছবি সংগৃহীত

 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোমিন (৪২) নামে এক হোটেল শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার মোমিন মিয়া ওই এলাকার গেন্দা মিস্তির ছেলে এবং চাঁদপাড়া বাজারের একটি খাবার হোটেলে শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন।

আরও পড়ুন  সৌদিতে সাত দিনে ১৪ হাজারের অধিক প্রবাসী গ্রেপ্তার

স্থানীয়রা জানায়, বিকালে চাঁদপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে নিজের বাড়িতে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন মোমিন মিয়া। বিষয়টি কাউকে না বলতে তাকে ভয়ভীতিও দেখানো হয়।

পরে মেয়েটি রক্তক্ষরণে অসুস্থ হয়ে পড়লে ধর্ষণের বিষয়টি তার পরিবার ও এলাকার লোকজনকে জানায়। এলাকার লোকজন ঘটনার সত্যতা পেয়ে মোমিন মিয়াকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ মোমিনকে গ্রেপ্তার করে।

রাতে ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়রা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে অধিক রক্তক্ষরণের কারণে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন দায়িত্বরত চিকিৎসক।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেল শ্রমিক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১১:৩৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোমিন (৪২) নামে এক হোটেল শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার মোমিন মিয়া ওই এলাকার গেন্দা মিস্তির ছেলে এবং চাঁদপাড়া বাজারের একটি খাবার হোটেলে শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন।

আরও পড়ুন  গাইবান্ধায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

স্থানীয়রা জানায়, বিকালে চাঁদপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে নিজের বাড়িতে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন মোমিন মিয়া। বিষয়টি কাউকে না বলতে তাকে ভয়ভীতিও দেখানো হয়।

পরে মেয়েটি রক্তক্ষরণে অসুস্থ হয়ে পড়লে ধর্ষণের বিষয়টি তার পরিবার ও এলাকার লোকজনকে জানায়। এলাকার লোকজন ঘটনার সত্যতা পেয়ে মোমিন মিয়াকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ মোমিনকে গ্রেপ্তার করে।

রাতে ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়রা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে অধিক রক্তক্ষরণের কারণে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন দায়িত্বরত চিকিৎসক।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।