ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন
অর্থনীতি

সুতা আমদানিতে রেকর্ড মাইলফলক, সাত বছরের শীর্ষ রেকর্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 370

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ তুলা উৎপাদন করে না, ফলে পণ্যটি পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। তুলা আমদানি করে সুতা তৈরি করা হয়, যা মূলত পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত হয়। তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তুলা আমদানিও বাড়ে। তবে বর্তমানে দেশে সুতা আমদানির প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে, যা দেশীয় স্পিনিং মিলগুলোর জন্য উদ্বেগজনক।

বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তাদের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে দেশে প্রায় ১২ লাখ টন সুতা আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি। এই সুতার বড় অংশই আসছে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে।

আরও পড়ুন  শীর্ষ পতনে সৌদি শেয়ারবাজারে ধস , বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ

স্পিনিং মিলগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মিলগুলো তাদের উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যবহার করছে। অথচ দুই বছর আগে গ্যাসের দাম ১৫০-১৭৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

এতে সুতার উৎপাদন খরচ বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলো দেশীয় সুতা ব্যবহার করলে যে নগদ সহায়তা পেত, তাও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ভারতীয় সুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না দেশীয় সুতা।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর তথ্যানুযায়ী, দেশে ৫১৯টি স্পিনিং মিল রয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি বন্ধ। এই মিলগুলো নিট কাপড়ের ৮৫-৯০ শতাংশ এবং ওভেন কাপড়ের প্রায় ৪০ শতাংশ সুতা সরবরাহ করে।

তবে গত বছর পোশাক রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় তুলা ও সুতার আমদানি বাড়ে। ২০২৩ সালে প্রায় ১৮ লাখ ৮৯ হাজার টন তুলা আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। একই বছর ১২ লাখ টন সুতা আমদানিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

দেশীয় স্পিনিং শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি নগদ সহায়তা পুনর্বহাল ও উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্যোগ নিলে দেশীয় শিল্প ভারতীয় সুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারবে বলে আশা রাখছেন সংশ্লিষ্টরা ।

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি

সুতা আমদানিতে রেকর্ড মাইলফলক, সাত বছরের শীর্ষ রেকর্ড

আপডেট সময় ০৭:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

 

বাংলাদেশ তুলা উৎপাদন করে না, ফলে পণ্যটি পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। তুলা আমদানি করে সুতা তৈরি করা হয়, যা মূলত পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত হয়। তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তুলা আমদানিও বাড়ে। তবে বর্তমানে দেশে সুতা আমদানির প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে, যা দেশীয় স্পিনিং মিলগুলোর জন্য উদ্বেগজনক।

বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তাদের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে দেশে প্রায় ১২ লাখ টন সুতা আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি। এই সুতার বড় অংশই আসছে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে।

আরও পড়ুন  লড়াই করেও পারল না বাংলাদেশ, সিরিজ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া

স্পিনিং মিলগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মিলগুলো তাদের উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যবহার করছে। অথচ দুই বছর আগে গ্যাসের দাম ১৫০-১৭৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

এতে সুতার উৎপাদন খরচ বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলো দেশীয় সুতা ব্যবহার করলে যে নগদ সহায়তা পেত, তাও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ভারতীয় সুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না দেশীয় সুতা।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর তথ্যানুযায়ী, দেশে ৫১৯টি স্পিনিং মিল রয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি বন্ধ। এই মিলগুলো নিট কাপড়ের ৮৫-৯০ শতাংশ এবং ওভেন কাপড়ের প্রায় ৪০ শতাংশ সুতা সরবরাহ করে।

তবে গত বছর পোশাক রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় তুলা ও সুতার আমদানি বাড়ে। ২০২৩ সালে প্রায় ১৮ লাখ ৮৯ হাজার টন তুলা আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। একই বছর ১২ লাখ টন সুতা আমদানিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

দেশীয় স্পিনিং শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি নগদ সহায়তা পুনর্বহাল ও উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্যোগ নিলে দেশীয় শিল্প ভারতীয় সুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারবে বলে আশা রাখছেন সংশ্লিষ্টরা ।