ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তরুণ ব্যবসায়ীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 147

ছবি সংগৃহীত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অমিত হাসান (২৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে বান্দুরা পিত্তিতলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত অমিত বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং শেখ মামুন-এর ছেলে। নতুন বান্দুরা এলাকায় ‘বাইক পার্লার’ নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্তানের জন্মের পর বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকায় কিছুদিন ধরে তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ রেখেছিলেন।

স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, অমিতের স্ত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত আটদিন ধরে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে নবাবগঞ্জের দাউদপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় প্রায় প্রতিদিন সকালে নাস্তা করে নিজ বাড়িতে যেতেন এবং সন্ধ্যা বা রাতে আবার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসতেন।

আরও পড়ুন  মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সৌদি প্রবাসী নিহত

রোববার দুপুরে স্ত্রীর সঙ্গে একসঙ্গে খাবার খাওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়ির দিকে রওনা দেন অমিত। পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি সড়কে পড়ে যান।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠান। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতেই জানাজা শেষে মাঝিরকান্দা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তরুণ ব্যবসায়ীর

আপডেট সময় ০১:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অমিত হাসান (২৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে বান্দুরা পিত্তিতলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত অমিত বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং শেখ মামুন-এর ছেলে। নতুন বান্দুরা এলাকায় ‘বাইক পার্লার’ নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্তানের জন্মের পর বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকায় কিছুদিন ধরে তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ রেখেছিলেন।

স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, অমিতের স্ত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত আটদিন ধরে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে নবাবগঞ্জের দাউদপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় প্রায় প্রতিদিন সকালে নাস্তা করে নিজ বাড়িতে যেতেন এবং সন্ধ্যা বা রাতে আবার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসতেন।

আরও পড়ুন  ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

রোববার দুপুরে স্ত্রীর সঙ্গে একসঙ্গে খাবার খাওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়ির দিকে রওনা দেন অমিত। পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি সড়কে পড়ে যান।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠান। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতেই জানাজা শেষে মাঝিরকান্দা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।