০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান কোচিং সেন্টার বন্ধসহ নানা নিয়মের শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত মন্দিরের জায়গায় শৌচাগার: জবিতে দিনভর বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীদের মন্দির ‘উদ্বোধন’

দায়িত্ব পেলে চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের ঘুম হারাম করব: হাসনাত আব্দুল্লাহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 121

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, জনগণ যদি তাঁকে দায়িত্ব দেয়, তবে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের মরিচা গ্রামে এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী ও এর সঙ্গে জড়িতদের উদ্দেশে শেষবারের মতো সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, যারা ভুল পথে আছে, তারা যেন সেখান থেকে ফিরে আসে। জীবিকার প্রয়োজনে সহায়তা চাইলে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তবে কেউ যদি মাদক ব্যবসা বা সিন্ডিকেট চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে।

রাজনীতিতে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের সঙ্গে আপসের সংস্কৃতির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেক প্রভাবশালী নেতা মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে রাজনীতি করেছে। এখন তারা পালানোর পথ খুঁজছে। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই তাদের পতন হবে।

নিজের সঙ্গে ছবি তুলে অবৈধ সুবিধা আদায়ের প্রবণতার বিরুদ্ধেও কথা বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, শুধু আমার সঙ্গে ছবি থাকলেই কেউ আমার লোক হয়ে যায় না। এমনকি আমার পরিবারের কেউ যদি অবৈধ সুবিধা চাইতেও আসে, তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। ছবি দেখিয়ে কোনো সম্পর্ক বা প্রভাব প্রমাণ করা যাবে না।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে অনেক নেতা নির্বাচনের আগে সামান্য সহায়তা দিয়ে ভোট নিয়ে পাঁচ বছর জনগণের কাছে আর যাননি। এবার তার ব্যতিক্রম হবে। প্রথম কিছুদিন জনগণ আমাকে সহযোগিতা করবে, আর পরবর্তী পাঁচ বছর আমি জনগণের পাশে থাকব।

ভোটার ও দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যেককে প্রতিদিন অন্তত ১০ জন ভোটারের কাছে গিয়ে শাপলা কলি মার্কায় ভোট চাইতে হবে। ভোট দেওয়ার বয়স না হলেও ভোট চাওয়ার কোনো বয়স নেই। তাই সবাইকে প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ভোট দুই ধরনের হতে পারে—একটি চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের সঙ্গে আপসের ভোট, আরেকটি সাধারণ মানুষের ভোট। আমি সাধারণ মানুষের কাছেই এসেছি। আপনারা যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, তাহলে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও ঋণ খেলাপিদের ঘুম হারাম করে দেব।

নারীদের ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, এবারের নির্বাচনে মায়েদের, খালাদের ও চাচিদের ভোটেই আমরা সংসদে পৌঁছাব। নারীরা একবার কথা দিলে তা কখনও ভাঙে না। এবারের ভোটে আপনারা আমাকে আপনাদের সন্তানের মতো বিবেচনা করে ভোট দেবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

দায়িত্ব পেলে চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের ঘুম হারাম করব: হাসনাত আব্দুল্লাহ

আপডেট সময় ০৭:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, জনগণ যদি তাঁকে দায়িত্ব দেয়, তবে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের মরিচা গ্রামে এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী ও এর সঙ্গে জড়িতদের উদ্দেশে শেষবারের মতো সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, যারা ভুল পথে আছে, তারা যেন সেখান থেকে ফিরে আসে। জীবিকার প্রয়োজনে সহায়তা চাইলে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তবে কেউ যদি মাদক ব্যবসা বা সিন্ডিকেট চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে।

রাজনীতিতে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের সঙ্গে আপসের সংস্কৃতির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেক প্রভাবশালী নেতা মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে রাজনীতি করেছে। এখন তারা পালানোর পথ খুঁজছে। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই তাদের পতন হবে।

নিজের সঙ্গে ছবি তুলে অবৈধ সুবিধা আদায়ের প্রবণতার বিরুদ্ধেও কথা বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, শুধু আমার সঙ্গে ছবি থাকলেই কেউ আমার লোক হয়ে যায় না। এমনকি আমার পরিবারের কেউ যদি অবৈধ সুবিধা চাইতেও আসে, তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। ছবি দেখিয়ে কোনো সম্পর্ক বা প্রভাব প্রমাণ করা যাবে না।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে অনেক নেতা নির্বাচনের আগে সামান্য সহায়তা দিয়ে ভোট নিয়ে পাঁচ বছর জনগণের কাছে আর যাননি। এবার তার ব্যতিক্রম হবে। প্রথম কিছুদিন জনগণ আমাকে সহযোগিতা করবে, আর পরবর্তী পাঁচ বছর আমি জনগণের পাশে থাকব।

ভোটার ও দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যেককে প্রতিদিন অন্তত ১০ জন ভোটারের কাছে গিয়ে শাপলা কলি মার্কায় ভোট চাইতে হবে। ভোট দেওয়ার বয়স না হলেও ভোট চাওয়ার কোনো বয়স নেই। তাই সবাইকে প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ভোট দুই ধরনের হতে পারে—একটি চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের সঙ্গে আপসের ভোট, আরেকটি সাধারণ মানুষের ভোট। আমি সাধারণ মানুষের কাছেই এসেছি। আপনারা যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, তাহলে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও ঋণ খেলাপিদের ঘুম হারাম করে দেব।

নারীদের ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, এবারের নির্বাচনে মায়েদের, খালাদের ও চাচিদের ভোটেই আমরা সংসদে পৌঁছাব। নারীরা একবার কথা দিলে তা কখনও ভাঙে না। এবারের ভোটে আপনারা আমাকে আপনাদের সন্তানের মতো বিবেচনা করে ভোট দেবেন।