ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 616

ছবি: সংগৃহীত

 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। ওপেনার জাকির হাসান ও তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম দ্রুত আউট হলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। সেই কঠিন সময়ে পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস প্রতিরোধ গড়ে সিলেটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এই জুটির ভাঙনের পর আর কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অবদান আসে কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে, তিনি ৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেন। জবাবে সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি।

আরও পড়ুন  ক্রিস গেইলের বলে ভাগ বসালেন লিটন কুমার

রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এরপর ইমন ও বিলিংস কিছুটা আশা জাগান। ইমন করেন ৪৮ রান, আর বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। তবে এই দুজন আউট হওয়ার পর আবারও চাপে পড়ে যায় সিলেটের ইনিংস।

চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ১২ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষদিকে মিরাজ ও ওকস লড়াই চালানোর চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান তোলা সম্ভব হয়নি।

এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন তামিম ইকবাল ও ফারহান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ফারহানের বিদায়ে, তিনি করেন ২৬ রান। অন্য ওপেনার তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এসএম মেহেরব। ৮০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও কেন উইলিয়ামসন ও জেমস নিশাম পরিস্থিতি সামাল দেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেন, আর উইলিয়ামসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট

আপডেট সময় ১২:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। ওপেনার জাকির হাসান ও তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম দ্রুত আউট হলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। সেই কঠিন সময়ে পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস প্রতিরোধ গড়ে সিলেটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এই জুটির ভাঙনের পর আর কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অবদান আসে কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে, তিনি ৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেন। জবাবে সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি।

আরও পড়ুন  হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি

রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এরপর ইমন ও বিলিংস কিছুটা আশা জাগান। ইমন করেন ৪৮ রান, আর বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। তবে এই দুজন আউট হওয়ার পর আবারও চাপে পড়ে যায় সিলেটের ইনিংস।

চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ১২ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষদিকে মিরাজ ও ওকস লড়াই চালানোর চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান তোলা সম্ভব হয়নি।

এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন তামিম ইকবাল ও ফারহান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ফারহানের বিদায়ে, তিনি করেন ২৬ রান। অন্য ওপেনার তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এসএম মেহেরব। ৮০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও কেন উইলিয়ামসন ও জেমস নিশাম পরিস্থিতি সামাল দেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেন, আর উইলিয়ামসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।