১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 121

ছবি সংগৃহীত

 

কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অপরদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

রায় ঘোষণার পর হাসনাত আবদুল্লাহর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু বলেন, ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আদালতের কাছে প্রতারণা করেছেন। আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন। ফলে তিনি আর প্রার্থী থাকতে পারবেন না। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে। রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র প্রথমে বৈধ ঘোষণা করলেও এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ আপিল করে অভিযোগ করেন, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপন করা হয়েছে।

আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে শুনানি শেষে ইসি সেই আপিল মঞ্জুর করে এবং মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে। পরে ইসির ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। শুনানি শেষে বুধবার সেই রিট খারিজ করা হলো।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী

আপডেট সময় ০৬:০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

 

কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অপরদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

রায় ঘোষণার পর হাসনাত আবদুল্লাহর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু বলেন, ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আদালতের কাছে প্রতারণা করেছেন। আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন। ফলে তিনি আর প্রার্থী থাকতে পারবেন না। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে। রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র প্রথমে বৈধ ঘোষণা করলেও এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ আপিল করে অভিযোগ করেন, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপন করা হয়েছে।

আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে শুনানি শেষে ইসি সেই আপিল মঞ্জুর করে এবং মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে। পরে ইসির ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। শুনানি শেষে বুধবার সেই রিট খারিজ করা হলো।