ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

সিল্ক রোডের জীবন্ত ইতিহাস উজবেকিস্তানের খিভা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1487

ছবি সংগৃহীত

 

খিভা উজবেকিস্তানের একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক শহর। এক সময় এই শহর ছিল বিখ্যাত সিল্ক রোডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বাণিজ্য, সংস্কৃতি আর সভ্যতার মিলনস্থল হিসেবে খিভা বহু শতাব্দী ধরে পরিচিত।

খিভার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো ইচান কালা। এটি একটি প্রাচীন দুর্গনগরী, যা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। এখানে প্রবেশ করলে মনে হয় যেন সময় কয়েকশ বছর পেছনে ফিরে গেছে। দুর্গের ভেতরে আছে পুরনো মসজিদ, মাদ্রাসা, প্রাসাদ ও মিনার।

আরও পড়ুন  কিউবা: ক্যারিবীয় দ্বীপে ইতিহাস, সংস্কৃতি আর বাস্তবতার মিশ্রণ

কালতা মাইনর মিনার খিভার একটি পরিচিত নিদর্শন। এটি অসম্পূর্ণ হলেও এর নীল টাইলস ও গঠন পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কুনিয়া আর্ক ছিল খিভার শাসকদের বাসস্থান। এখানে প্রশাসনিক কাজ, বিচার ব্যবস্থা ও রাজকীয় আচার অনুষ্ঠান হতো।

জুমা মসজিদ খিভার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এই মসজিদে শতাধিক কাঠের খুঁটি রয়েছে, যেগুলোর নকশা খুবই বৈচিত্র্যময়। প্রতিটি খুঁটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে আলাদা ইতিহাস।

ভ্রমণের দিক থেকে খিভা খুবই উপযোগী। শহরটি হাঁটার জন্য আরামদায়ক। স্থানীয় হস্তশিল্প, হাতে তৈরি কার্পেট, কাঠের কাজ ও সিরামিক পণ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এখানকার খাবারেও উজবেক ঐতিহ্যের ছোঁয়া স্পষ্ট।

ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পর্যটনের সুন্দর সমন্বয় খিভাকে করেছে বিশেষ। যারা প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহাসিক শহর দেখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য খিভা এক অনন্য গন্তব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিল্ক রোডের জীবন্ত ইতিহাস উজবেকিস্তানের খিভা

আপডেট সময় ০৪:৩০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

 

খিভা উজবেকিস্তানের একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক শহর। এক সময় এই শহর ছিল বিখ্যাত সিল্ক রোডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বাণিজ্য, সংস্কৃতি আর সভ্যতার মিলনস্থল হিসেবে খিভা বহু শতাব্দী ধরে পরিচিত।

খিভার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো ইচান কালা। এটি একটি প্রাচীন দুর্গনগরী, যা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। এখানে প্রবেশ করলে মনে হয় যেন সময় কয়েকশ বছর পেছনে ফিরে গেছে। দুর্গের ভেতরে আছে পুরনো মসজিদ, মাদ্রাসা, প্রাসাদ ও মিনার।

আরও পড়ুন  ইতিহাসে মওলানা ভাসানীর মূল্যায়ন হয়নি : নাহিদ ইসলাম

কালতা মাইনর মিনার খিভার একটি পরিচিত নিদর্শন। এটি অসম্পূর্ণ হলেও এর নীল টাইলস ও গঠন পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কুনিয়া আর্ক ছিল খিভার শাসকদের বাসস্থান। এখানে প্রশাসনিক কাজ, বিচার ব্যবস্থা ও রাজকীয় আচার অনুষ্ঠান হতো।

জুমা মসজিদ খিভার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এই মসজিদে শতাধিক কাঠের খুঁটি রয়েছে, যেগুলোর নকশা খুবই বৈচিত্র্যময়। প্রতিটি খুঁটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে আলাদা ইতিহাস।

ভ্রমণের দিক থেকে খিভা খুবই উপযোগী। শহরটি হাঁটার জন্য আরামদায়ক। স্থানীয় হস্তশিল্প, হাতে তৈরি কার্পেট, কাঠের কাজ ও সিরামিক পণ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এখানকার খাবারেও উজবেক ঐতিহ্যের ছোঁয়া স্পষ্ট।

ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পর্যটনের সুন্দর সমন্বয় খিভাকে করেছে বিশেষ। যারা প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহাসিক শহর দেখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য খিভা এক অনন্য গন্তব্য।