০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের চাবি আপনার হাতে’ স্লোগানে গণভোট প্রচারণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 90

ছবি সংগৃহীত

 

সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচার শুরু করেছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০টি ‘ভোটের গাড়ি’ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ঘুরে ভোটারদের তথ্য ও সচেতনতা দেবে। পাশাপাশি উঠান বৈঠক, গান ও লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে।

‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ স্লোগানে বিতরণযোগ্য লিফলেটে সংবিধান সংস্কার, ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমা, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণসহ ১১টি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোটে এসব পরিবর্তনের পথ খুলবে।

গণভোট প্রচারে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে, যার সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। সরকার জানিয়েছে, শিগগিরই লিফলেট বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচার ও বিশেষ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
২২ ডিসেম্বর থেকে যাত্রা শুরু করা সুপার ক্যারাভানগুলো ৬৪ জেলা ও ৩০০ উপজেলায় গিয়ে ভিডিও প্রদর্শনসহ গণভোট ও ভোটাধিকার নিয়ে বার্তা দেবে।

এ ছাড়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিভাগভিত্তিক গান ও ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে।
গণভোট প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি, ধর্মসহ ১৯টি মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করবে। ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে উপাসনালয় থেকেও মানুষকে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনও লিফলেট ও ফেস্টুনের মাধ্যমে সহায়ক প্রচার চালাবে।

সরকারের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে এই প্রচার কার্যক্রম দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং গণভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের চাবি আপনার হাতে’ স্লোগানে গণভোট প্রচারণা

আপডেট সময় ১১:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচার শুরু করেছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০টি ‘ভোটের গাড়ি’ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ঘুরে ভোটারদের তথ্য ও সচেতনতা দেবে। পাশাপাশি উঠান বৈঠক, গান ও লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে।

‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ স্লোগানে বিতরণযোগ্য লিফলেটে সংবিধান সংস্কার, ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমা, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণসহ ১১টি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোটে এসব পরিবর্তনের পথ খুলবে।

গণভোট প্রচারে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে, যার সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। সরকার জানিয়েছে, শিগগিরই লিফলেট বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচার ও বিশেষ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
২২ ডিসেম্বর থেকে যাত্রা শুরু করা সুপার ক্যারাভানগুলো ৬৪ জেলা ও ৩০০ উপজেলায় গিয়ে ভিডিও প্রদর্শনসহ গণভোট ও ভোটাধিকার নিয়ে বার্তা দেবে।

এ ছাড়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিভাগভিত্তিক গান ও ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে।
গণভোট প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি, ধর্মসহ ১৯টি মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করবে। ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে উপাসনালয় থেকেও মানুষকে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনও লিফলেট ও ফেস্টুনের মাধ্যমে সহায়ক প্রচার চালাবে।

সরকারের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে এই প্রচার কার্যক্রম দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং গণভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।