০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেসবুক মানসিক ক্ষতি করে—প্রমাণ মেলার পর গবেষণা গোপন করেছিল Meta

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 259

ছবি সংগৃহীত

 

আদালতে দাখিল করা নতুন নথিতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, Meta ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অভ্যন্তরীণ গবেষণা বন্ধ করে দেয় এবং গোপন রাখে, কারণ সেই গবেষণায় দেখা গিয়েছিল Facebook ব্যবহার মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

নথিতে বলা হয়েছে—Meta-এর গবেষকরা দেখেন যে ফেসবুকে বেশি সময় কাটানো ব্যবহারকারীদের মধ্যে:

১. বিষণ্নতা বাড়ায়,

২. উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা বাড়ায়,

৩. একাকিত্বের অনুভূতি তীব্র করে,

৪. নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করার অভ্যাস বাড়িয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই ফলাফল Meta–র কাছে “অস্বস্তিকর সত্য” হয়ে দাঁড়ায়। গবেষণার তথ্য প্রকাশ পেলে কোম্পানির ইমেজ এবং ব্যবসায়িক মডেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এ কারণে গবেষণাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং আর এগোনো হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেসবুক মানসিক ক্ষতি করে—প্রমাণ মেলার পর গবেষণা গোপন করেছিল Meta

আপডেট সময় ০৩:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

আদালতে দাখিল করা নতুন নথিতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, Meta ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অভ্যন্তরীণ গবেষণা বন্ধ করে দেয় এবং গোপন রাখে, কারণ সেই গবেষণায় দেখা গিয়েছিল Facebook ব্যবহার মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

নথিতে বলা হয়েছে—Meta-এর গবেষকরা দেখেন যে ফেসবুকে বেশি সময় কাটানো ব্যবহারকারীদের মধ্যে:

১. বিষণ্নতা বাড়ায়,

২. উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা বাড়ায়,

৩. একাকিত্বের অনুভূতি তীব্র করে,

৪. নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করার অভ্যাস বাড়িয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই ফলাফল Meta–র কাছে “অস্বস্তিকর সত্য” হয়ে দাঁড়ায়। গবেষণার তথ্য প্রকাশ পেলে কোম্পানির ইমেজ এবং ব্যবসায়িক মডেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এ কারণে গবেষণাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং আর এগোনো হয়নি।