ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আতলেতিকোর জালে ১৪ মিনিটে ৪ গোল, দাপুটে জয়ে আর্সেনাল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 374

ছবি সংগৃহীত

 

‘নেতিবাচক ফুটবল’—এই বিশেষণে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত আতলেতিকো মাদ্রিদ। কোচ দিয়েগো সিমিওনের অধীনে রক্ষণাত্মক কৌশল ও ধীরগতির খেলার জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে এই ধরনকে ভক্তরা নাম দিয়েছেন ‘হারামবল’।

শেষ কয়েক ম্যাচে আর্সেনালও যেন সেই একই ধাঁচে হাঁটছিল—বিশেষ করে সেটপিস নির্ভর গোল তাদের এই ঘরানায় যুক্ত করেছে নতুন পরিচয়ে। তাই যখন আতলেতিকো ও আর্সেনাল মুখোমুখি হলো, তখন ম্যাচটির নাম দেওয়া হলো মজার ছলে ‘হারামবল ক্লাসিকো’।

আরও পড়ুন  ত্রিশ ছোঁয়ার আগেই গোলের রাজত্ব

কিন্তু শেষমেশ মাঠে রাজত্ব করেছে আর্সেনালই। মাত্র ১৪ মিনিটে ৪ গোল করে তারা উড়িয়ে দিয়েছে আতলেতিকোকে, ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।

প্রথম ৫৭ মিনিট পর্যন্ত দুই দলই খেলছিল পরিচিত রক্ষণাত্মক ফুটবল, গোলমুখে হুমকি খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু ৫৭তম মিনিটে ডেক্লান রাইসের ফ্রি কিক থেকে গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসের হেডে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। সেই গোলের পরই বদলে যায় খেলার ধারা।

তারপর মাইলস লুইস-স্কেলির চমৎকার দৌড় ও পাসে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি বাঁকানো শটে করেন দ্বিতীয় গোল। গোল খরায় থাকা ভিক্টর ইয়োকেরেশও এবার জটলার ভেতর থেকে বল পাঠান জালে—তাতে শেষ হয় তার ৭ ম্যাচের গোলখরা। তিন মিনিট পর কর্নার থেকে গ্যাব্রিয়েলের পাসে আবারও গোল করেন এই সুইডিশ ফরোয়ার্ড।

সেটপিস থেকে গোল করার দক্ষতায় এখন ইউরোপের অন্যতম ভয়ংকর দল আর্সেনাল। লিভারপুলের কোচ আরনে স্লট এবং ফুলহামের কোচ মার্কো সিলভা দুজনই স্বীকার করেছেন—এই জায়গায় এখন ইউরোপের সেরাদের কাতারে আছে আর্তেতার দল।

ডেক্লান রাইস ও বুকায়ো সাকা দুই পাশ থেকে দুর্দান্ত বল তুলে দিচ্ছেন ফরোয়ার্ডদের পাতে। রাইসের অভিষেকের পর থেকে ইউরোপের পাঁচ লিগ মিলিয়ে ডেড বল থেকে তার চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট আছে কেবল ইন্টার মিলানের হাকান চালহানওলুর (১১টি), রাইসের সংখ্যা ১০টি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আতলেতিকোর জালে ১৪ মিনিটে ৪ গোল, দাপুটে জয়ে আর্সেনাল

আপডেট সময় ০১:১০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

 

‘নেতিবাচক ফুটবল’—এই বিশেষণে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত আতলেতিকো মাদ্রিদ। কোচ দিয়েগো সিমিওনের অধীনে রক্ষণাত্মক কৌশল ও ধীরগতির খেলার জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে এই ধরনকে ভক্তরা নাম দিয়েছেন ‘হারামবল’।

শেষ কয়েক ম্যাচে আর্সেনালও যেন সেই একই ধাঁচে হাঁটছিল—বিশেষ করে সেটপিস নির্ভর গোল তাদের এই ঘরানায় যুক্ত করেছে নতুন পরিচয়ে। তাই যখন আতলেতিকো ও আর্সেনাল মুখোমুখি হলো, তখন ম্যাচটির নাম দেওয়া হলো মজার ছলে ‘হারামবল ক্লাসিকো’।

আরও পড়ুন  মেসি বিশ্বকাপে যে দলের বিপক্ষে খেলতে চায় না

কিন্তু শেষমেশ মাঠে রাজত্ব করেছে আর্সেনালই। মাত্র ১৪ মিনিটে ৪ গোল করে তারা উড়িয়ে দিয়েছে আতলেতিকোকে, ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।

প্রথম ৫৭ মিনিট পর্যন্ত দুই দলই খেলছিল পরিচিত রক্ষণাত্মক ফুটবল, গোলমুখে হুমকি খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু ৫৭তম মিনিটে ডেক্লান রাইসের ফ্রি কিক থেকে গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসের হেডে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। সেই গোলের পরই বদলে যায় খেলার ধারা।

তারপর মাইলস লুইস-স্কেলির চমৎকার দৌড় ও পাসে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি বাঁকানো শটে করেন দ্বিতীয় গোল। গোল খরায় থাকা ভিক্টর ইয়োকেরেশও এবার জটলার ভেতর থেকে বল পাঠান জালে—তাতে শেষ হয় তার ৭ ম্যাচের গোলখরা। তিন মিনিট পর কর্নার থেকে গ্যাব্রিয়েলের পাসে আবারও গোল করেন এই সুইডিশ ফরোয়ার্ড।

সেটপিস থেকে গোল করার দক্ষতায় এখন ইউরোপের অন্যতম ভয়ংকর দল আর্সেনাল। লিভারপুলের কোচ আরনে স্লট এবং ফুলহামের কোচ মার্কো সিলভা দুজনই স্বীকার করেছেন—এই জায়গায় এখন ইউরোপের সেরাদের কাতারে আছে আর্তেতার দল।

ডেক্লান রাইস ও বুকায়ো সাকা দুই পাশ থেকে দুর্দান্ত বল তুলে দিচ্ছেন ফরোয়ার্ডদের পাতে। রাইসের অভিষেকের পর থেকে ইউরোপের পাঁচ লিগ মিলিয়ে ডেড বল থেকে তার চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট আছে কেবল ইন্টার মিলানের হাকান চালহানওলুর (১১টি), রাইসের সংখ্যা ১০টি।