ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজায় ‘মাফিয়া কৌশল’: হামাসবিরোধী হতে অস্বীকার করায় গোত্র নেতাদের টার্গেট করছে ইসরায়েল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 494

ছবি সংগৃহীত

 

সৌদি ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত গাজার প্রভাবশালী বাকর ও দুরমুশ গোত্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল—হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করলে তারা সহায়তা পাবে। লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি দখল সহজ করা এবং নতুন কোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গঠন ঠেকানো।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে বাকর পরিবারের ছয়জন এবং গাজার সাবরা এলাকায় দুরমুশ পরিবারের ৩০ জন নিহত হয়।

আরও পড়ুন  বাবা-মা হারানো শিশুদের সংখ্যা ৩৬ হাজার ছাড়াল, সম্পূর্ণ একা ২ হাজার

গাজার এসব বৃহৎ গোত্র বা হামুলা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিরোধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছে।

কেউ কেউ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আবার কেউ হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় কিছু গোত্র সশস্ত্র দল গঠন করেছে।

এর মধ্যে ‘পপুলার ফোর্সেস’ নামে একটি গ্রুপ ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইএসআইএস-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয় এবং রাফাহর আশপাশে সাহায্য সামগ্রী নিয়ন্ত্রণ ও লুটপাটে জড়িত।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ‘মাফিয়া কৌশল’: হামাসবিরোধী হতে অস্বীকার করায় গোত্র নেতাদের টার্গেট করছে ইসরায়েল

আপডেট সময় ০২:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সৌদি ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত গাজার প্রভাবশালী বাকর ও দুরমুশ গোত্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল—হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করলে তারা সহায়তা পাবে। লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি দখল সহজ করা এবং নতুন কোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গঠন ঠেকানো।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে বাকর পরিবারের ছয়জন এবং গাজার সাবরা এলাকায় দুরমুশ পরিবারের ৩০ জন নিহত হয়।

আরও পড়ুন  গাজায় মানবিক বিপর্যয়, পুনর্গঠন ও সাহায্য প্রয়োজন ৫৩০০ কোটি ডলার: জাতিসংঘ

গাজার এসব বৃহৎ গোত্র বা হামুলা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিরোধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছে।

কেউ কেউ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আবার কেউ হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় কিছু গোত্র সশস্ত্র দল গঠন করেছে।

এর মধ্যে ‘পপুলার ফোর্সেস’ নামে একটি গ্রুপ ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইএসআইএস-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয় এবং রাফাহর আশপাশে সাহায্য সামগ্রী নিয়ন্ত্রণ ও লুটপাটে জড়িত।