০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান

গাজায় ‘মাফিয়া কৌশল’: হামাসবিরোধী হতে অস্বীকার করায় গোত্র নেতাদের টার্গেট করছে ইসরায়েল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 161

ছবি সংগৃহীত

 

সৌদি ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত গাজার প্রভাবশালী বাকর ও দুরমুশ গোত্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল—হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করলে তারা সহায়তা পাবে। লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি দখল সহজ করা এবং নতুন কোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গঠন ঠেকানো।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে বাকর পরিবারের ছয়জন এবং গাজার সাবরা এলাকায় দুরমুশ পরিবারের ৩০ জন নিহত হয়।

গাজার এসব বৃহৎ গোত্র বা হামুলা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিরোধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছে।

কেউ কেউ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আবার কেউ হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় কিছু গোত্র সশস্ত্র দল গঠন করেছে।

এর মধ্যে ‘পপুলার ফোর্সেস’ নামে একটি গ্রুপ ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইএসআইএস-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয় এবং রাফাহর আশপাশে সাহায্য সামগ্রী নিয়ন্ত্রণ ও লুটপাটে জড়িত।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ‘মাফিয়া কৌশল’: হামাসবিরোধী হতে অস্বীকার করায় গোত্র নেতাদের টার্গেট করছে ইসরায়েল

আপডেট সময় ০২:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সৌদি ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত গাজার প্রভাবশালী বাকর ও দুরমুশ গোত্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল—হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করলে তারা সহায়তা পাবে। লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি দখল সহজ করা এবং নতুন কোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গঠন ঠেকানো।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে বাকর পরিবারের ছয়জন এবং গাজার সাবরা এলাকায় দুরমুশ পরিবারের ৩০ জন নিহত হয়।

গাজার এসব বৃহৎ গোত্র বা হামুলা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিরোধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছে।

কেউ কেউ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আবার কেউ হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় কিছু গোত্র সশস্ত্র দল গঠন করেছে।

এর মধ্যে ‘পপুলার ফোর্সেস’ নামে একটি গ্রুপ ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইএসআইএস-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয় এবং রাফাহর আশপাশে সাহায্য সামগ্রী নিয়ন্ত্রণ ও লুটপাটে জড়িত।