ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে নিহত ১৪, কাঠমান্ডুতে কারফিউ জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 505

ছবি: সংগৃহীত

 

সরকারি দুর্নীতি এবং সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে নেপালে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন শহরের বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করেছে।

এক প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু পোস্ট এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় ট্রমা সেন্টারে আনা ৭ জন বিক্ষোভকারী মারা গেছেন। বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালে ৩ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন  কারফিউর ভেতর থমথমে গোপালগঞ্জ, সড়কে এখনও পড়ে আছে সহিংসতার চিহ্ন

সেই সঙ্গে শহরের সিভিল হাসপাতালে দু’জন এবং মহারাজগঞ্জের কেএমসি ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালে একজন করে মারা গেছেন। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসক দীপেন্দ্র পান্ডে বলেন, অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের মাথায় ও বুকে গুলি লেগেছে। ২০ জনেরও বেশি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালের কর্মকর্তা অনিল অধিকারী বলেন, ৫০ জনেরও বেশি মানুষ চিকিৎসাধীন।এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর জলকামান, কাঁদানে গ্যাস এবং তাজা গুলি ব্যবহার করেছে। কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরও অস্থিরতা রোধ এবং সংবেদনশীল সরকারি স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্ফিউ জারি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের জন্য আগে থেকেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল, কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যায়। এর ফলে জলকামান এবং টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করা হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা গাছের ডাল এবং পানির বোতল ছুঁড়ে মারে, সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং কেউ কেউ পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

হাজার হাজার তরুণ বিক্ষোভে যোগ দেয়। ব্যাপক দুর্নীতি এবং ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব ও স্ন্যাপচ্যাটসহ ২৬টি অনিবন্ধিত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর সরকারের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে নিহত ১৪, কাঠমান্ডুতে কারফিউ জারি

আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সরকারি দুর্নীতি এবং সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে নেপালে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন শহরের বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করেছে।

এক প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু পোস্ট এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় ট্রমা সেন্টারে আনা ৭ জন বিক্ষোভকারী মারা গেছেন। বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালে ৩ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জে সহিংসতা ঘটনায় চলমান কারফিউ ১৪ ঘন্টা শিথিল

সেই সঙ্গে শহরের সিভিল হাসপাতালে দু’জন এবং মহারাজগঞ্জের কেএমসি ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালে একজন করে মারা গেছেন। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসক দীপেন্দ্র পান্ডে বলেন, অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের মাথায় ও বুকে গুলি লেগেছে। ২০ জনেরও বেশি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালের কর্মকর্তা অনিল অধিকারী বলেন, ৫০ জনেরও বেশি মানুষ চিকিৎসাধীন।এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর জলকামান, কাঁদানে গ্যাস এবং তাজা গুলি ব্যবহার করেছে। কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরও অস্থিরতা রোধ এবং সংবেদনশীল সরকারি স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্ফিউ জারি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের জন্য আগে থেকেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল, কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যায়। এর ফলে জলকামান এবং টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করা হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা গাছের ডাল এবং পানির বোতল ছুঁড়ে মারে, সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং কেউ কেউ পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

হাজার হাজার তরুণ বিক্ষোভে যোগ দেয়। ব্যাপক দুর্নীতি এবং ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব ও স্ন্যাপচ্যাটসহ ২৬টি অনিবন্ধিত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর সরকারের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়।