ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী বরগুনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 784

ছবি: সংগৃহীত

 

বরগুনা জেলা জজ আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী মোঃ আল আমিন (৩০) অবশেষে পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। রবিবার (০৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানোর সময় আদালত প্রাঙ্গণে রাখা গাড়ির কাছ থেকে হাতকড়া খুলে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।

আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আল আমিনকে আদালত থেকে বরগুনা জেলা কারাগারে নেওয়ার জন্য এএসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম ও তিনজন কনস্টেবলের সমন্বয়ে একটি দল দায়িত্বে ছিল। কিন্তু গাফিলতির সুযোগে আসামী পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন  সৌদি আরবে আইন লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেপ্তার ২৫ হাজার প্রবাসী

এ ঘটনায় বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াকুব হোসাইন এর নির্দেশে এসআই সোহেলের নেতৃত্বে রাত থেকেই অভিযান চালায়। আজ সন্ধ্যা নাগাত বরগুনা সদর উপজেলার ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের ক্রোক এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে বসে থাকা অবস্থায় আসামী আল আমিনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আল আমিনের বিরুদ্ধে স্ত্রী ময়না আক্তার ২০১৭ সালের ৪৮নং পারিবারিক মামলায় রায় পাওয়ার পর ২০১৮ সালে ৩৬নং পারিবারিক ডিক্রি জারী মামলাও দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আল আমিন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। শনিবার (০২ আগস্ট) রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং রবিবার সকালে আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, “আসামী পালানোর বিষয়টি সত্য। আদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে নেওয়ার পথে সে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা তাকে আবার গ্রেপ্তার করেছি।”

বরগুনা জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. মোঃ আহসান হাবিব স্বপন বলেন, “২০১৮ সালে আমি তার পক্ষে আইনি সহায়তা দিয়েছিলাম। সে জামিনে মুক্তির পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল। পুলিশের দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই সে পালিয়ে যেতে পেরেছে। যথাযথ নিয়মে আসামী হস্তান্তর করলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।”

ঘটনার পর আদালতপাড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়ভার নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে গাফিলতির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী বরগুনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:৩০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

 

বরগুনা জেলা জজ আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী মোঃ আল আমিন (৩০) অবশেষে পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। রবিবার (০৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানোর সময় আদালত প্রাঙ্গণে রাখা গাড়ির কাছ থেকে হাতকড়া খুলে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।

আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আল আমিনকে আদালত থেকে বরগুনা জেলা কারাগারে নেওয়ার জন্য এএসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম ও তিনজন কনস্টেবলের সমন্বয়ে একটি দল দায়িত্বে ছিল। কিন্তু গাফিলতির সুযোগে আসামী পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন  নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র আইভীর জামিন নাকচ করলো আদালত

এ ঘটনায় বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াকুব হোসাইন এর নির্দেশে এসআই সোহেলের নেতৃত্বে রাত থেকেই অভিযান চালায়। আজ সন্ধ্যা নাগাত বরগুনা সদর উপজেলার ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের ক্রোক এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে বসে থাকা অবস্থায় আসামী আল আমিনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আল আমিনের বিরুদ্ধে স্ত্রী ময়না আক্তার ২০১৭ সালের ৪৮নং পারিবারিক মামলায় রায় পাওয়ার পর ২০১৮ সালে ৩৬নং পারিবারিক ডিক্রি জারী মামলাও দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আল আমিন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। শনিবার (০২ আগস্ট) রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং রবিবার সকালে আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, “আসামী পালানোর বিষয়টি সত্য। আদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে নেওয়ার পথে সে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা তাকে আবার গ্রেপ্তার করেছি।”

বরগুনা জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. মোঃ আহসান হাবিব স্বপন বলেন, “২০১৮ সালে আমি তার পক্ষে আইনি সহায়তা দিয়েছিলাম। সে জামিনে মুক্তির পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল। পুলিশের দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই সে পালিয়ে যেতে পেরেছে। যথাযথ নিয়মে আসামী হস্তান্তর করলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।”

ঘটনার পর আদালতপাড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়ভার নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে গাফিলতির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।