ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা, জানাল আবহাওয়া অফিস স্পেনের পথে ২৭ দিনের সমুদ্রযাত্রা, ৮৩ জনের প্রাণহানি স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বাতিল মালয়েশিয়ার ইরান যুদ্ধের শেষ জানেন না ভ্যান্স রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু

আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী বরগুনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 952

ছবি: সংগৃহীত

 

বরগুনা জেলা জজ আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী মোঃ আল আমিন (৩০) অবশেষে পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। রবিবার (০৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানোর সময় আদালত প্রাঙ্গণে রাখা গাড়ির কাছ থেকে হাতকড়া খুলে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।

আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আল আমিনকে আদালত থেকে বরগুনা জেলা কারাগারে নেওয়ার জন্য এএসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম ও তিনজন কনস্টেবলের সমন্বয়ে একটি দল দায়িত্বে ছিল। কিন্তু গাফিলতির সুযোগে আসামী পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন  শীর্ষ আদালতের নির্দেশে জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ

এ ঘটনায় বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াকুব হোসাইন এর নির্দেশে এসআই সোহেলের নেতৃত্বে রাত থেকেই অভিযান চালায়। আজ সন্ধ্যা নাগাত বরগুনা সদর উপজেলার ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের ক্রোক এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে বসে থাকা অবস্থায় আসামী আল আমিনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আল আমিনের বিরুদ্ধে স্ত্রী ময়না আক্তার ২০১৭ সালের ৪৮নং পারিবারিক মামলায় রায় পাওয়ার পর ২০১৮ সালে ৩৬নং পারিবারিক ডিক্রি জারী মামলাও দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আল আমিন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। শনিবার (০২ আগস্ট) রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং রবিবার সকালে আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, “আসামী পালানোর বিষয়টি সত্য। আদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে নেওয়ার পথে সে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা তাকে আবার গ্রেপ্তার করেছি।”

বরগুনা জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. মোঃ আহসান হাবিব স্বপন বলেন, “২০১৮ সালে আমি তার পক্ষে আইনি সহায়তা দিয়েছিলাম। সে জামিনে মুক্তির পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল। পুলিশের দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই সে পালিয়ে যেতে পেরেছে। যথাযথ নিয়মে আসামী হস্তান্তর করলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।”

ঘটনার পর আদালতপাড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়ভার নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে গাফিলতির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী বরগুনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:৩০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

 

বরগুনা জেলা জজ আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী মোঃ আল আমিন (৩০) অবশেষে পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। রবিবার (০৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানোর সময় আদালত প্রাঙ্গণে রাখা গাড়ির কাছ থেকে হাতকড়া খুলে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।

আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আল আমিনকে আদালত থেকে বরগুনা জেলা কারাগারে নেওয়ার জন্য এএসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম ও তিনজন কনস্টেবলের সমন্বয়ে একটি দল দায়িত্বে ছিল। কিন্তু গাফিলতির সুযোগে আসামী পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন  নতুন মামলায় গ্রেপ্তার হলেন সালমান এফ রহমান ও দীপু মনিসহ ৪ জন

এ ঘটনায় বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াকুব হোসাইন এর নির্দেশে এসআই সোহেলের নেতৃত্বে রাত থেকেই অভিযান চালায়। আজ সন্ধ্যা নাগাত বরগুনা সদর উপজেলার ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের ক্রোক এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে বসে থাকা অবস্থায় আসামী আল আমিনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আল আমিনের বিরুদ্ধে স্ত্রী ময়না আক্তার ২০১৭ সালের ৪৮নং পারিবারিক মামলায় রায় পাওয়ার পর ২০১৮ সালে ৩৬নং পারিবারিক ডিক্রি জারী মামলাও দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আল আমিন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। শনিবার (০২ আগস্ট) রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং রবিবার সকালে আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, “আসামী পালানোর বিষয়টি সত্য। আদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে নেওয়ার পথে সে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা তাকে আবার গ্রেপ্তার করেছি।”

বরগুনা জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. মোঃ আহসান হাবিব স্বপন বলেন, “২০১৮ সালে আমি তার পক্ষে আইনি সহায়তা দিয়েছিলাম। সে জামিনে মুক্তির পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল। পুলিশের দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই সে পালিয়ে যেতে পেরেছে। যথাযথ নিয়মে আসামী হস্তান্তর করলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।”

ঘটনার পর আদালতপাড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়ভার নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে গাফিলতির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।