ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

বঙ্গপসাগর থেকে ১৮ জন অসহায় জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • / 799

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম, ২৩ জুলাই ২০২৫: কক্সবাজারের মহেশখালীর অদূরে গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ০৪ দিন ভেসে থাকা ‘হাবিবা’ নামক একটি মাছ ধরার ট্রলার ও বিপদগ্রস্থ ১৮ জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই ২০২৫) নৌবাহিনী যুদ্ধ জাহাজ ‘শহীদ ফরিদ’ নিয়মিত টহলে থাকা অবস্থায় মহেশখালী হতে ২৫ মাইল পশ্চিমে একটি মাছ ধরার ট্রলার ভাসমান অবস্থায় খুজে পায়।

এ সময় ট্রলারে অবস্থানরত জেলেরা নৌবাহিনীর জাহাজটিকে দেখতে পেয়ে বিপদ সংকেত প্রদর্শন করতে থাকে যা নৌবাহিনীর নিকট সন্দেহজনক পরিলক্ষিত হওয়ায় শীঘ্রই জাহাজটি বিপদগ্রস্ত ট্রলারের নিকট ছুটে যায়। ট্রলারটির নিকট পৌঁছানোর পর নৌ সদস্যরা মাঝিদের কাছ থেকে অবগত হন যে, তাদের ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় বিগত ০৪ দিন যাবৎ তারা গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। তাদের কাছে অবশিষ্ট খাবার ও বিশুদ্ধ পানি শেষ হয়ে যাওয়ায় তাদের করুণ অবস্থা পরিলক্ষিত করে নৌ সদস্যরা জরুরি ভিত্তিতে তাদের খাবার ও বিশুদ্ধ পানি প্রদান করেন। পরবর্তীতে নৌবাহিনীর সদস্যগণ জেলেসহ ট্রলারটিকে উক্ত স্থান হতে নিরাপদে কুতুবদিয়া এলাকায় পৌঁছে দেয়। এ সময় তাদের প্রয়োজনীয় পানি ও খাবার ছাড়াও জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ট্রলারে থাকা ১৮ জন জেলেই বর্তমানে সুস্থ আছেন। অসহায় জেলেরা তাদের জীবন রক্ষা করার জন্য এবং তাদেরকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য নৌবাহিনীর কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নৌ সদস্যরা জানতে পারেন যে, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রলারটি ভোলা জেলার মনপুরা এলাকা হতে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সমুদ্রে গমন করে।

আরও পড়ুন  করাচি বন্দরে পৌঁছাল তুরস্কের যুদ্ধজাহাজ TCG Büyükada: সামরিক সহযোগিতায় নতুন মাত্রা

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা, ব্ল-ইকোনমি সংরক্ষণ, চোরাচালান প্রতিরোধ ও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত একাধিক যুদ্ধজাহাজ নিয়োজিতকরণের মাধ্যমে সমগ্র বঙ্গোপসাগরে ও উপক‚লীয় এলাকায় দিনরাত টহল পরিচালনা করছে যা ভবিষ্যতেও অব্যহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বঙ্গপসাগর থেকে ১৮ জন অসহায় জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী

আপডেট সময় ০৭:৩৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

 

চট্টগ্রাম, ২৩ জুলাই ২০২৫: কক্সবাজারের মহেশখালীর অদূরে গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ০৪ দিন ভেসে থাকা ‘হাবিবা’ নামক একটি মাছ ধরার ট্রলার ও বিপদগ্রস্থ ১৮ জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই ২০২৫) নৌবাহিনী যুদ্ধ জাহাজ ‘শহীদ ফরিদ’ নিয়মিত টহলে থাকা অবস্থায় মহেশখালী হতে ২৫ মাইল পশ্চিমে একটি মাছ ধরার ট্রলার ভাসমান অবস্থায় খুজে পায়।

এ সময় ট্রলারে অবস্থানরত জেলেরা নৌবাহিনীর জাহাজটিকে দেখতে পেয়ে বিপদ সংকেত প্রদর্শন করতে থাকে যা নৌবাহিনীর নিকট সন্দেহজনক পরিলক্ষিত হওয়ায় শীঘ্রই জাহাজটি বিপদগ্রস্ত ট্রলারের নিকট ছুটে যায়। ট্রলারটির নিকট পৌঁছানোর পর নৌ সদস্যরা মাঝিদের কাছ থেকে অবগত হন যে, তাদের ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় বিগত ০৪ দিন যাবৎ তারা গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। তাদের কাছে অবশিষ্ট খাবার ও বিশুদ্ধ পানি শেষ হয়ে যাওয়ায় তাদের করুণ অবস্থা পরিলক্ষিত করে নৌ সদস্যরা জরুরি ভিত্তিতে তাদের খাবার ও বিশুদ্ধ পানি প্রদান করেন। পরবর্তীতে নৌবাহিনীর সদস্যগণ জেলেসহ ট্রলারটিকে উক্ত স্থান হতে নিরাপদে কুতুবদিয়া এলাকায় পৌঁছে দেয়। এ সময় তাদের প্রয়োজনীয় পানি ও খাবার ছাড়াও জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ট্রলারে থাকা ১৮ জন জেলেই বর্তমানে সুস্থ আছেন। অসহায় জেলেরা তাদের জীবন রক্ষা করার জন্য এবং তাদেরকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য নৌবাহিনীর কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নৌ সদস্যরা জানতে পারেন যে, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রলারটি ভোলা জেলার মনপুরা এলাকা হতে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সমুদ্রে গমন করে।

আরও পড়ুন  আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউতে যোগ দিতে করাচির পথে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা, ব্ল-ইকোনমি সংরক্ষণ, চোরাচালান প্রতিরোধ ও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত একাধিক যুদ্ধজাহাজ নিয়োজিতকরণের মাধ্যমে সমগ্র বঙ্গোপসাগরে ও উপক‚লীয় এলাকায় দিনরাত টহল পরিচালনা করছে যা ভবিষ্যতেও অব্যহত থাকবে।