ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

মসজিদ কমিটি নিয়ে আমার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে: ধর্ম উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / 185

ছবি সংগৃহীত

 

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি নির্ধারণ সংক্রান্ত তাঁর বক্তব্য কিছু গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  কমিটি তৈরী করবে আহত নিহতদের তালিকা

তিনি জানান, খুলনায় আয়োজিত এক ইমাম সমাবেশে তাঁর বক্তব্য কিছু মিডিয়ায় বিকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।

ধর্ম উপদেষ্টা পোস্টে বলেন, “সারাদেশে মডেল মসজিদগুলোর সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। যদি তারা ভিন্ন ধর্মের অনুসারী হন, তাহলে সেখানে দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট মুসলিম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) বা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। নারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।”

তিনি স্পষ্ট করেন, মডেল মসজিদগুলোর নির্মাণ ও পরিচালনা সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে হয়ে থাকে। ফলে, এসব মসজিদের নিয়ন্ত্রণও সরকারের অধীনেই থাকবে।

অন্যদিকে দেশের তিন লাখেরও বেশি বেসরকারি মসজিদ সম্পর্কে তিনি বলেন, “এসব মসজিদের কমিটি, সভাপতি বা সেক্রেটারি নির্ধারণ করবেন স্থানীয় মুসল্লি, মোতাওয়াল্লি ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। এসব মসজিদের জন্য ডিসি বা ইউএনও সভাপতি হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। কারণ, এসব মসজিদ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত নয়।”

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, “যদি কোনো মসজিদ কমিটির সঙ্গে ইমাম, খতিব বা মুয়াজ্জিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব বা সংকট তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি নিরসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষ প্রশাসনের সহযোগিতা চাইতে পারবেন। এটাই ছিল আমার মূল বক্তব্য।”

তিনি অনুরোধ জানান, এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যেন যথাযথ সতর্কতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধর্মীয় বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর দিকেও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য ধর্ম উপদেষ্টার এই ব্যাখ্যাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মসজিদ কমিটি নিয়ে আমার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে: ধর্ম উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

 

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি নির্ধারণ সংক্রান্ত তাঁর বক্তব্য কিছু গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার আলোকে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

তিনি জানান, খুলনায় আয়োজিত এক ইমাম সমাবেশে তাঁর বক্তব্য কিছু মিডিয়ায় বিকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।

ধর্ম উপদেষ্টা পোস্টে বলেন, “সারাদেশে মডেল মসজিদগুলোর সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। যদি তারা ভিন্ন ধর্মের অনুসারী হন, তাহলে সেখানে দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট মুসলিম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) বা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। নারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।”

তিনি স্পষ্ট করেন, মডেল মসজিদগুলোর নির্মাণ ও পরিচালনা সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে হয়ে থাকে। ফলে, এসব মসজিদের নিয়ন্ত্রণও সরকারের অধীনেই থাকবে।

অন্যদিকে দেশের তিন লাখেরও বেশি বেসরকারি মসজিদ সম্পর্কে তিনি বলেন, “এসব মসজিদের কমিটি, সভাপতি বা সেক্রেটারি নির্ধারণ করবেন স্থানীয় মুসল্লি, মোতাওয়াল্লি ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। এসব মসজিদের জন্য ডিসি বা ইউএনও সভাপতি হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। কারণ, এসব মসজিদ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত নয়।”

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, “যদি কোনো মসজিদ কমিটির সঙ্গে ইমাম, খতিব বা মুয়াজ্জিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব বা সংকট তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি নিরসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষ প্রশাসনের সহযোগিতা চাইতে পারবেন। এটাই ছিল আমার মূল বক্তব্য।”

তিনি অনুরোধ জানান, এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যেন যথাযথ সতর্কতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধর্মীয় বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর দিকেও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য ধর্ম উপদেষ্টার এই ব্যাখ্যাকে স্বাগত জানিয়েছেন।