১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগস্ট থেকে আবারও চালু হচ্ছে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি: খাদ্য উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 74

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে ফের চালু হচ্ছে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি। দেশের ৫৫ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় মাসে ৩০ কেজি করে চাল সরবরাহ করা হবে কেজিপ্রতি ১৫ টাকা দরে।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি জানান, আগামী আগস্ট থেকেই শুরু হবে খাদ্যবান্ধব এ কর্মসূচি, যা চলবে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত।

উপদেষ্টা বলেন, “জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও স্বল্প আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগস্ট থেকে ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হবে, যার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে কেজিপ্রতি ১৫ টাকা।”

দেশের বাজারে চালের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। আলী ইমাম মজুমদার জানান, বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ৪ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অভ্যন্তরীণ মজুত ও সরবরাহে ভারসাম্য আনার জন্য এই চাল আমদানি করা হবে। যাতে বাজারে অযাচিত মূল্যবৃদ্ধি না ঘটে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”

উল্লেখ্য, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মাঝে এই কর্মসূচি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে, কারণ এটি তাদের খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই কর্মসূচি চালুর ফলে নিন্মবিত্ত জনগণের ভোগান্তি কিছুটা লাঘব হবে এবং বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সরকারিভাবে ঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আগস্ট থেকে আবারও চালু হচ্ছে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি: খাদ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:৫২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে ফের চালু হচ্ছে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি। দেশের ৫৫ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় মাসে ৩০ কেজি করে চাল সরবরাহ করা হবে কেজিপ্রতি ১৫ টাকা দরে।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি জানান, আগামী আগস্ট থেকেই শুরু হবে খাদ্যবান্ধব এ কর্মসূচি, যা চলবে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত।

উপদেষ্টা বলেন, “জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও স্বল্প আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগস্ট থেকে ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হবে, যার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে কেজিপ্রতি ১৫ টাকা।”

দেশের বাজারে চালের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। আলী ইমাম মজুমদার জানান, বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ৪ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অভ্যন্তরীণ মজুত ও সরবরাহে ভারসাম্য আনার জন্য এই চাল আমদানি করা হবে। যাতে বাজারে অযাচিত মূল্যবৃদ্ধি না ঘটে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”

উল্লেখ্য, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মাঝে এই কর্মসূচি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে, কারণ এটি তাদের খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই কর্মসূচি চালুর ফলে নিন্মবিত্ত জনগণের ভোগান্তি কিছুটা লাঘব হবে এবং বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সরকারিভাবে ঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে।