ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি

ময়মনসিংহে বাড়ি থেকে একই পরিবারের মা ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 680

ছবি: সংগৃহীত

 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড। উপজেলার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের মা ও তার দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন—রফিক উদ্দিনের স্ত্রী ময়না বেগম (২৫), তাদের কন্যা রাইসা (৪) এবং পুত্র নীরব (২)।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে বাড়ির ভেতরে ভয়াবহ এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, সকালে দীর্ঘ সময় বাড়ির কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হয়। পরে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যায়—ঘরের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে তিনজনের নিথর দেহ। দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

আরও পড়ুন  সীমান্তের শূন্যরেখায় নারীর মরদেহ উদ্ধার

খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রত্যেকের গলা কাটা ছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, রাতের কোনো এক সময় এ নির্মম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সকালে স্থানীয়দের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার পেছনের কারণ বা কারা জড়িত—তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে।”

তিনি আরও জানান, বাড়িটিতে ময়না বেগম ও তার দুই সন্তান ছাড়া কেউ থাকতেন না। নিহতদের স্বামী রফিক উদ্দিন কোথায় ছিলেন বা তার সঙ্গে শেষবার কবে যোগাযোগ হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।

এদিকে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা বলছেন, ময়না বেগম শান্ত স্বভাবের নারী ছিলেন এবং দুই সন্তানকে নিয়ে সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। এমন ভয়ানক পরিণতির পেছনে কী কারণ থাকতে পারে তা কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না।

ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যে পিবিআই ও সিআইডির সদস্যরা এসে আলামত সংগ্রহ করেছে। মরদেহ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে বাড়ি থেকে একই পরিবারের মা ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড। উপজেলার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের মা ও তার দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন—রফিক উদ্দিনের স্ত্রী ময়না বেগম (২৫), তাদের কন্যা রাইসা (৪) এবং পুত্র নীরব (২)।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে বাড়ির ভেতরে ভয়াবহ এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, সকালে দীর্ঘ সময় বাড়ির কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হয়। পরে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যায়—ঘরের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে তিনজনের নিথর দেহ। দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

আরও পড়ুন  রাবিতে তৃতীয় বর্ষের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী ইতি ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রত্যেকের গলা কাটা ছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, রাতের কোনো এক সময় এ নির্মম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সকালে স্থানীয়দের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার পেছনের কারণ বা কারা জড়িত—তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে।”

তিনি আরও জানান, বাড়িটিতে ময়না বেগম ও তার দুই সন্তান ছাড়া কেউ থাকতেন না। নিহতদের স্বামী রফিক উদ্দিন কোথায় ছিলেন বা তার সঙ্গে শেষবার কবে যোগাযোগ হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।

এদিকে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা বলছেন, ময়না বেগম শান্ত স্বভাবের নারী ছিলেন এবং দুই সন্তানকে নিয়ে সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। এমন ভয়ানক পরিণতির পেছনে কী কারণ থাকতে পারে তা কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না।

ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যে পিবিআই ও সিআইডির সদস্যরা এসে আলামত সংগ্রহ করেছে। মরদেহ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।