ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে

বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে ২১ বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করল বিএসএফ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 813

ছবি সংগৃহীত

 

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে আবারও ২১ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে সীমান্তের ১১৪৮/৪ এস পিলারের কাছাকাছি আড়াপাড়া এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯ জন তৃতীয় লিঙ্গের এবং ২ জন পুরুষ রয়েছেন। পুশ-ইনের পরপরই বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করে।

আরও পড়ুন  পঞ্চগড় সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১৮ বাংলাদেশিকে বিএসএফ-এর পুশইন

আটক ব্যক্তিরা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তারা চট্টগ্রাম, ঢাকার নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, খিলগাঁও, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, মৌলভীবাজার, টাঙ্গাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছেন বলে জানা গেছে।

আটক তৃতীয় লিঙ্গের একজন, নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা সানজানা জানান, প্রায় ১০ বছর আগে তিনি দালালের মাধ্যমে ভারতে পাড়ি জমান। সেখানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সম্প্রতি দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করে ভারতীয় পুলিশ। এরপর বিএসএফ তাদের বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে।

নেত্রকোনা ৩১ বিজিবির বিজয়পুর বিওপির কম্পানি কমান্ডার শহীদুল ইসলাম বলেন, “আটক ব্যক্তিদের কেউ ১ বছর, কেউ ২ বছর, আবার কেউ ১০ বছর ধরে ভারতে অবস্থান করছিলেন। তারা মূলত দিল্লিতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাদের আটক করে বিএসএফ আমাদের সীমান্তে ঠেলে দেয়।”

তিনি আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত দিয়ে এ ধরনের পুশ-ইনের ঘটনা ঘটছে, যা কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্বেগজনক। এতে মানবিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিয়মিত পুশ-ইনের ঘটনায় দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে ২১ বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করল বিএসএফ

আপডেট সময় ০২:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

 

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে আবারও ২১ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে সীমান্তের ১১৪৮/৪ এস পিলারের কাছাকাছি আড়াপাড়া এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯ জন তৃতীয় লিঙ্গের এবং ২ জন পুরুষ রয়েছেন। পুশ-ইনের পরপরই বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করে।

আরও পড়ুন  বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে গুলি চালানো বন্ধের দাবি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

আটক ব্যক্তিরা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তারা চট্টগ্রাম, ঢাকার নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, খিলগাঁও, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, মৌলভীবাজার, টাঙ্গাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছেন বলে জানা গেছে।

আটক তৃতীয় লিঙ্গের একজন, নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা সানজানা জানান, প্রায় ১০ বছর আগে তিনি দালালের মাধ্যমে ভারতে পাড়ি জমান। সেখানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সম্প্রতি দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করে ভারতীয় পুলিশ। এরপর বিএসএফ তাদের বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে।

নেত্রকোনা ৩১ বিজিবির বিজয়পুর বিওপির কম্পানি কমান্ডার শহীদুল ইসলাম বলেন, “আটক ব্যক্তিদের কেউ ১ বছর, কেউ ২ বছর, আবার কেউ ১০ বছর ধরে ভারতে অবস্থান করছিলেন। তারা মূলত দিল্লিতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাদের আটক করে বিএসএফ আমাদের সীমান্তে ঠেলে দেয়।”

তিনি আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত দিয়ে এ ধরনের পুশ-ইনের ঘটনা ঘটছে, যা কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্বেগজনক। এতে মানবিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিয়মিত পুশ-ইনের ঘটনায় দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।