০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

টেকনাফে পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 170

ছবি সংগৃহীত

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র ডাকাত ও অপহরণকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অভিযানের পর ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অপহৃত এক যুবককে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (৬ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সালাহউদ্দিন রশীদ তানভীর।

উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম মো. সোহেল (২০), যিনি টেকনাফ পৌরসভার নতুন পল্লান পাড়ার বাসিন্দা এবং জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

লে. কমান্ডার তানভীর জানান, শনিবার মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের অবস্থানের খবর পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর কোস্টগার্ড ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল সেখানে অভিযান চালায়।

তিনি বলেন, যৌথ বাহিনী পাহাড়ে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলে এ সংঘর্ষ। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা গভীর পাহাড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ১টি জি-৩ রাইফেল, ২টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, ৩ হাজার ১০০টি রাইফেলের গুলি, ১৪টি পিস্তলের গুলি, ১ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস এবং ৪ লিটার দেশি চোলাই মদ।

লে. কমান্ডার তানভীর আরও জানান, এ সময় অপহৃত মো. সোহেলকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযান শেষে উদ্ধার করা অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদকদ্রব্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র ডাকাতদের আস্তানার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে এ ধরনের অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তানভীর।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:১৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র ডাকাত ও অপহরণকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অভিযানের পর ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অপহৃত এক যুবককে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (৬ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সালাহউদ্দিন রশীদ তানভীর।

উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম মো. সোহেল (২০), যিনি টেকনাফ পৌরসভার নতুন পল্লান পাড়ার বাসিন্দা এবং জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

লে. কমান্ডার তানভীর জানান, শনিবার মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের অবস্থানের খবর পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর কোস্টগার্ড ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল সেখানে অভিযান চালায়।

তিনি বলেন, যৌথ বাহিনী পাহাড়ে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলে এ সংঘর্ষ। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা গভীর পাহাড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ১টি জি-৩ রাইফেল, ২টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, ৩ হাজার ১০০টি রাইফেলের গুলি, ১৪টি পিস্তলের গুলি, ১ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস এবং ৪ লিটার দেশি চোলাই মদ।

লে. কমান্ডার তানভীর আরও জানান, এ সময় অপহৃত মো. সোহেলকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযান শেষে উদ্ধার করা অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদকদ্রব্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র ডাকাতদের আস্তানার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে এ ধরনের অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তানভীর।