ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

শেখ রেহানার স্বামী ও দেবরের ১৫ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 480

ছবি সংগৃহীত

 

 

শেখ রেহানার স্বামী শফিক সিদ্দিক এবং দেবর তারিক সিদ্দিকের মালিকানাধীন গাজীপুর সদরের জমি ও ১০ তলা একটি ভবন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জব্দের আদেশপ্রাপ্ত এ সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন  সিরিয়ার স্বৈরশাসকের মূল্যবান সম্পদ পাচারে গোপন বিমান মিশন

বুধবার (২ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দুদকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম আদালতে ওই স্থাবর সম্পদ জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শফিক সিদ্দিক এবং তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে তারা এসব স্থাবর সম্পদ অন্য কারও কাছে বিক্রি, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন বলে দুদকের কাছে তথ্য আসে।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা যাতে এই সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করতে না পারেন, সে জন্য আদালতের জব্দাদেশ প্রয়োজন। আদালত যাচাই-বাছাই শেষে দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, শফিক সিদ্দিক শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার স্বামী এবং তারিক সিদ্দিক শফিক সিদ্দিকের ভাই। দুদক সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত উপায়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবেই গাজীপুর সদরে অবস্থিত প্রায় ১৫ কোটি টাকার জমি ও ১০ তলা ভবন জব্দের উদ্যোগ নেয়া হয়।

দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সম্পদ বিক্রয় বা স্থানান্তরে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। প্রয়োজনে তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও দুদক সূত্রে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ রেহানার স্বামী ও দেবরের ১৫ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৬:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

 

শেখ রেহানার স্বামী শফিক সিদ্দিক এবং দেবর তারিক সিদ্দিকের মালিকানাধীন গাজীপুর সদরের জমি ও ১০ তলা একটি ভবন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জব্দের আদেশপ্রাপ্ত এ সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন  সিরিয়ার স্বৈরশাসকের মূল্যবান সম্পদ পাচারে গোপন বিমান মিশন

বুধবার (২ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দুদকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম আদালতে ওই স্থাবর সম্পদ জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শফিক সিদ্দিক এবং তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে তারা এসব স্থাবর সম্পদ অন্য কারও কাছে বিক্রি, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন বলে দুদকের কাছে তথ্য আসে।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা যাতে এই সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করতে না পারেন, সে জন্য আদালতের জব্দাদেশ প্রয়োজন। আদালত যাচাই-বাছাই শেষে দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, শফিক সিদ্দিক শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার স্বামী এবং তারিক সিদ্দিক শফিক সিদ্দিকের ভাই। দুদক সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত উপায়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবেই গাজীপুর সদরে অবস্থিত প্রায় ১৫ কোটি টাকার জমি ও ১০ তলা ভবন জব্দের উদ্যোগ নেয়া হয়।

দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সম্পদ বিক্রয় বা স্থানান্তরে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। প্রয়োজনে তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও দুদক সূত্রে জানা গেছে।