ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

শেখ রেহানার স্বামী ও দেবরের ১৫ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 332

ছবি সংগৃহীত

 

 

শেখ রেহানার স্বামী শফিক সিদ্দিক এবং দেবর তারিক সিদ্দিকের মালিকানাধীন গাজীপুর সদরের জমি ও ১০ তলা একটি ভবন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জব্দের আদেশপ্রাপ্ত এ সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন  সিরিয়ার স্বৈরশাসকের মূল্যবান সম্পদ পাচারে গোপন বিমান মিশন

বুধবার (২ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দুদকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম আদালতে ওই স্থাবর সম্পদ জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শফিক সিদ্দিক এবং তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে তারা এসব স্থাবর সম্পদ অন্য কারও কাছে বিক্রি, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন বলে দুদকের কাছে তথ্য আসে।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা যাতে এই সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করতে না পারেন, সে জন্য আদালতের জব্দাদেশ প্রয়োজন। আদালত যাচাই-বাছাই শেষে দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, শফিক সিদ্দিক শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার স্বামী এবং তারিক সিদ্দিক শফিক সিদ্দিকের ভাই। দুদক সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত উপায়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবেই গাজীপুর সদরে অবস্থিত প্রায় ১৫ কোটি টাকার জমি ও ১০ তলা ভবন জব্দের উদ্যোগ নেয়া হয়।

দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সম্পদ বিক্রয় বা স্থানান্তরে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। প্রয়োজনে তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও দুদক সূত্রে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ রেহানার স্বামী ও দেবরের ১৫ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৬:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

 

শেখ রেহানার স্বামী শফিক সিদ্দিক এবং দেবর তারিক সিদ্দিকের মালিকানাধীন গাজীপুর সদরের জমি ও ১০ তলা একটি ভবন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জব্দের আদেশপ্রাপ্ত এ সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন  সিরিয়ার স্বৈরশাসকের মূল্যবান সম্পদ পাচারে গোপন বিমান মিশন

বুধবার (২ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দুদকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম আদালতে ওই স্থাবর সম্পদ জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শফিক সিদ্দিক এবং তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে তারা এসব স্থাবর সম্পদ অন্য কারও কাছে বিক্রি, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন বলে দুদকের কাছে তথ্য আসে।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা যাতে এই সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করতে না পারেন, সে জন্য আদালতের জব্দাদেশ প্রয়োজন। আদালত যাচাই-বাছাই শেষে দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, শফিক সিদ্দিক শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার স্বামী এবং তারিক সিদ্দিক শফিক সিদ্দিকের ভাই। দুদক সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত উপায়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবেই গাজীপুর সদরে অবস্থিত প্রায় ১৫ কোটি টাকার জমি ও ১০ তলা ভবন জব্দের উদ্যোগ নেয়া হয়।

দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সম্পদ বিক্রয় বা স্থানান্তরে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। প্রয়োজনে তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও দুদক সূত্রে জানা গেছে।