ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গা/জা/য় ক্যাফে, স্কুল ও হাসপাতালে ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৯৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 334

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবারের এ হামলায় সাগরপাড়ের একটি জনবহুল ক্যাফে, একটি বিদ্যালয় ও একটি হাসপাতালের আশ্রয়কেন্দ্রে বোমা বর্ষণ করা হয়। এতে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।

গাজা নগরী ও এর উত্তরাঞ্চলে চালানো হামলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। আল–বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় চালানো হামলায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও কয়েক ডজন। সাগরপাড়ের এই জনপ্রিয় ক্যাফেটিতে হামলার সময় সেখানে নারী ও শিশুরা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জড়ো ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ইসমাইল আবু হাতাব।

আরও পড়ুন  বহু মাস প্রতীক্ষার পর গা*জা*য় প্রবেশ করছে ত্রাণবাহী শত শত ট্রাক

প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরিফ জানান, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো দ্রুত এসে কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই বোমা ফেলেছিল। হামলায় পুরো ক্যাফে ধ্বংস হয়ে গেছে, মাটিতে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখেছি। এ জায়গার কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না।”

এছাড়া, গাজা নগরীর ইয়াফা বিদ্যালয়েও হামলা চালানো হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শত শত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খালি করার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানান সেখান থেকে পালানো হামাদা আবু জারাদেহ।

গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর–এল–বালাহ এলাকায় অবস্থিত আল–আকসা হাসপাতাল প্রাঙ্গণেও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এখানেও অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার কারণে আহত ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

গাজা শহরের স্থানীয় সাংবাদিক হানি মাহমুদ আল–জাজিরাকে জানান, পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এসব হামলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর এ ধরনের আক্রমণ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় দিন দিন বাড়ছে হতাহত এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা। চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গা/জা/য় ক্যাফে, স্কুল ও হাসপাতালে ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৯৫

আপডেট সময় ১০:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবারের এ হামলায় সাগরপাড়ের একটি জনবহুল ক্যাফে, একটি বিদ্যালয় ও একটি হাসপাতালের আশ্রয়কেন্দ্রে বোমা বর্ষণ করা হয়। এতে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।

গাজা নগরী ও এর উত্তরাঞ্চলে চালানো হামলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। আল–বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় চালানো হামলায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও কয়েক ডজন। সাগরপাড়ের এই জনপ্রিয় ক্যাফেটিতে হামলার সময় সেখানে নারী ও শিশুরা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জড়ো ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ইসমাইল আবু হাতাব।

আরও পড়ুন  গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১

প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরিফ জানান, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো দ্রুত এসে কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই বোমা ফেলেছিল। হামলায় পুরো ক্যাফে ধ্বংস হয়ে গেছে, মাটিতে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখেছি। এ জায়গার কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না।”

এছাড়া, গাজা নগরীর ইয়াফা বিদ্যালয়েও হামলা চালানো হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শত শত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খালি করার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানান সেখান থেকে পালানো হামাদা আবু জারাদেহ।

গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর–এল–বালাহ এলাকায় অবস্থিত আল–আকসা হাসপাতাল প্রাঙ্গণেও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এখানেও অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার কারণে আহত ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

গাজা শহরের স্থানীয় সাংবাদিক হানি মাহমুদ আল–জাজিরাকে জানান, পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এসব হামলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর এ ধরনের আক্রমণ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় দিন দিন বাড়ছে হতাহত এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা। চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।