০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

গা/জা/য় ক্যাফে, স্কুল ও হাসপাতালে ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৯৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 95

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবারের এ হামলায় সাগরপাড়ের একটি জনবহুল ক্যাফে, একটি বিদ্যালয় ও একটি হাসপাতালের আশ্রয়কেন্দ্রে বোমা বর্ষণ করা হয়। এতে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।

গাজা নগরী ও এর উত্তরাঞ্চলে চালানো হামলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। আল–বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় চালানো হামলায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও কয়েক ডজন। সাগরপাড়ের এই জনপ্রিয় ক্যাফেটিতে হামলার সময় সেখানে নারী ও শিশুরা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জড়ো ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ইসমাইল আবু হাতাব।

প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরিফ জানান, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো দ্রুত এসে কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই বোমা ফেলেছিল। হামলায় পুরো ক্যাফে ধ্বংস হয়ে গেছে, মাটিতে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখেছি। এ জায়গার কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না।”

এছাড়া, গাজা নগরীর ইয়াফা বিদ্যালয়েও হামলা চালানো হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শত শত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খালি করার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানান সেখান থেকে পালানো হামাদা আবু জারাদেহ।

গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর–এল–বালাহ এলাকায় অবস্থিত আল–আকসা হাসপাতাল প্রাঙ্গণেও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এখানেও অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার কারণে আহত ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

গাজা শহরের স্থানীয় সাংবাদিক হানি মাহমুদ আল–জাজিরাকে জানান, পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এসব হামলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর এ ধরনের আক্রমণ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় দিন দিন বাড়ছে হতাহত এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা। চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গা/জা/য় ক্যাফে, স্কুল ও হাসপাতালে ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৯৫

আপডেট সময় ১০:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবারের এ হামলায় সাগরপাড়ের একটি জনবহুল ক্যাফে, একটি বিদ্যালয় ও একটি হাসপাতালের আশ্রয়কেন্দ্রে বোমা বর্ষণ করা হয়। এতে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।

গাজা নগরী ও এর উত্তরাঞ্চলে চালানো হামলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। আল–বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় চালানো হামলায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও কয়েক ডজন। সাগরপাড়ের এই জনপ্রিয় ক্যাফেটিতে হামলার সময় সেখানে নারী ও শিশুরা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জড়ো ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ইসমাইল আবু হাতাব।

প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরিফ জানান, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো দ্রুত এসে কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই বোমা ফেলেছিল। হামলায় পুরো ক্যাফে ধ্বংস হয়ে গেছে, মাটিতে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখেছি। এ জায়গার কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না।”

এছাড়া, গাজা নগরীর ইয়াফা বিদ্যালয়েও হামলা চালানো হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শত শত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খালি করার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানান সেখান থেকে পালানো হামাদা আবু জারাদেহ।

গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর–এল–বালাহ এলাকায় অবস্থিত আল–আকসা হাসপাতাল প্রাঙ্গণেও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এখানেও অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার কারণে আহত ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

গাজা শহরের স্থানীয় সাংবাদিক হানি মাহমুদ আল–জাজিরাকে জানান, পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এসব হামলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর এ ধরনের আক্রমণ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় দিন দিন বাড়ছে হতাহত এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা। চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।