ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস শিল্প বাঁচলে মজুরি বাড়বে, অহেতুক প্ররোচনায় না পড়ে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান শ্রম মন্ত্রীর মেগা প্রকল্প নয়, জনগণের প্রয়োজনই অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ফুটবলে নজিরবিহীন ঘটনা: এক ম্যাচে ৫১ লাল কার্ড, ছাড়িয়ে গেল আগের রেকর্ড কাল থেকে সেন্টমার্টিনে যাচ্ছে পর্যটকবাহী তিন জাহাজ মান ও শর্ত পূরণ ছাড়া মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর বৈঠক ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৮৬৬

গাজায় যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত, এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির আশা ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 667

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপীড়িত গাজা উপত্যকায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ জুন) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় আমরা খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।” সাংবাদিকরা গাজায় যুদ্ধবিরতির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস

ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “আমি এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি… আমাদের ধারণা, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।” তিনি গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে “ভয়াবহ” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “ওখানে একেবারে দুঃসহ অবস্থা চলছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই যুদ্ধবিরতির শর্ত বা কাঠামো প্রকাশ করেনি।

এদিকে, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষে গাজা উপত্যকার সাধারণ মানুষের জীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে। অনেকেই মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সেই সহায়তা মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়িত হলে বহুদিন পর হলেও গাজার মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আশা জাগিয়েছে যে হয়তো শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করবে উপত্যকায়।

উল্লেখ্য, চলমান সহিংসতার কারণে গাজায় চিকিৎসা, খাদ্য ও জরুরি সহায়তার অভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও যুদ্ধবিরতির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে।

তবে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হবে, এবং এর শর্তাবলি কী হবে, সে নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

সূত্র: আনাদুলু

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত, এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির আশা ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপীড়িত গাজা উপত্যকায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ জুন) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় আমরা খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।” সাংবাদিকরা গাজায় যুদ্ধবিরতির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতির দিকে যাচ্ছে না ইরান: পার্লামেন্ট স্পিকার

ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “আমি এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি… আমাদের ধারণা, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।” তিনি গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে “ভয়াবহ” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “ওখানে একেবারে দুঃসহ অবস্থা চলছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই যুদ্ধবিরতির শর্ত বা কাঠামো প্রকাশ করেনি।

এদিকে, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষে গাজা উপত্যকার সাধারণ মানুষের জীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে। অনেকেই মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সেই সহায়তা মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়িত হলে বহুদিন পর হলেও গাজার মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আশা জাগিয়েছে যে হয়তো শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করবে উপত্যকায়।

উল্লেখ্য, চলমান সহিংসতার কারণে গাজায় চিকিৎসা, খাদ্য ও জরুরি সহায়তার অভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও যুদ্ধবিরতির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে।

তবে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হবে, এবং এর শর্তাবলি কী হবে, সে নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

সূত্র: আনাদুলু