ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু

উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা চায় বিএনপি: আমিনুল হক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 521

ছবি সংগৃহীত

 

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, বিএনপি চায় উৎসবমুখর পরিবেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন হোক যার মাধ্যমে দেশে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়ন করা গেলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন  বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান

মঙ্গলবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী মোড়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড পিপলস জেনারেল রিহ্যাবলিটেশন কমিটি (এসপিজিআরসি)’ কুর্মিটোলা শাখা ও ‘উর্দুভাষী যুব ছাত্র আন্দোলন’-এর আয়োজনে ২০১৪ সালের ১৪ জুন কালশীর কুর্মিটোলা ক্যাম্পে উর্দুভাষীদের ওপর সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করে আসছে। সেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের আশায় আজো মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশের জনগণ আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চায় না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক। যেন সবাই স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারে এবং সম্মানের সাথে নিজেকে একজন বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে পারে।”

২০১৪ সালের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

উর্দুভাষী বিহারিদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, “আপনারা আমার পরিবারের সদস্য। আপনাদের সুখ-দুঃখে আমি সবসময় পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আপনাদের আলাদা করে দেখার কোনো প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা আমাদের ভাইদের হত্যা করেছে, গুম করেছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা তরুণদের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে।”

হত্যাকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে ফারজানা নামের একমাত্র জীবিত সদস্যের যাবতীয় ভরণপোষণের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণাও দেন বিএনপি নেতা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এসপিজিআরসি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এম শওকত আলী। আরও উপস্থিত ছিলেন কুর্মিটোলা শাখার সভাপতি সাদাকাত হোসেন ফাক্কু, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আলী বাবলু, সহসভাপতি মঈনুদ্দিন হোসেন মুন্না প্রমুখ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা চায় বিএনপি: আমিনুল হক

আপডেট সময় ১০:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, বিএনপি চায় উৎসবমুখর পরিবেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন হোক যার মাধ্যমে দেশে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়ন করা গেলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন  নির্বাচন স্থগিত নয়, গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ ইসির

মঙ্গলবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী মোড়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড পিপলস জেনারেল রিহ্যাবলিটেশন কমিটি (এসপিজিআরসি)’ কুর্মিটোলা শাখা ও ‘উর্দুভাষী যুব ছাত্র আন্দোলন’-এর আয়োজনে ২০১৪ সালের ১৪ জুন কালশীর কুর্মিটোলা ক্যাম্পে উর্দুভাষীদের ওপর সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করে আসছে। সেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের আশায় আজো মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশের জনগণ আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চায় না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক। যেন সবাই স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারে এবং সম্মানের সাথে নিজেকে একজন বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে পারে।”

২০১৪ সালের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

উর্দুভাষী বিহারিদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, “আপনারা আমার পরিবারের সদস্য। আপনাদের সুখ-দুঃখে আমি সবসময় পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আপনাদের আলাদা করে দেখার কোনো প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা আমাদের ভাইদের হত্যা করেছে, গুম করেছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা তরুণদের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে।”

হত্যাকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে ফারজানা নামের একমাত্র জীবিত সদস্যের যাবতীয় ভরণপোষণের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণাও দেন বিএনপি নেতা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এসপিজিআরসি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এম শওকত আলী। আরও উপস্থিত ছিলেন কুর্মিটোলা শাখার সভাপতি সাদাকাত হোসেন ফাক্কু, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আলী বাবলু, সহসভাপতি মঈনুদ্দিন হোসেন মুন্না প্রমুখ।