ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে বাড়বে করদাতা: উপদেষ্টা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ঢাকায়
হতাশায় জেলে ও ব্যবসায়ীরা

মাছ ধরার মৌসুমেও আশানুরূপ ফল নেই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 478

ছবি সংগৃহীত

 

 

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার প্রধান নদীগুলোতেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গে আশানুরূপ মাছের দেখা মিলছে না। মাছ ধরার মৌসুমেও জেলেরা হতাশ হয়ে তীরে ফিরছে। এর ফলে উপকূলীয় বাঁশবাড়িয়া, হাজীরহাট, গোলখালী, আউলিয়াপুর, রণগোপালদী ও আলীপুরা এলাকার জেলে পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে।

আরও পড়ুন  মক্কা-মদিনার আবাসন বাজার বিদেশিদের জন্য উন্মুক্ত করল সৌদি আরব

জেলেদের দুর্দশার পাশাপাশি এসব এলাকায় দাদন ব্যবসায়ীদের দাপট বাড়ছে। অর্থকষ্টে জর্জরিত জেলেরা দাদনের ফাঁদে পড়ে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।

উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বাজারগুলোতেও দেশীয় প্রজাতির মাছ এখন দুষ্প্রাপ্য। বর্ষা মৌসুমে ডিম ছাড়ার আগেই ডিমওয়ালা মাছ ধরা পড়ায় মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। একশ্রেণির অসাধু জেলের অবাধ মাছ শিকারের কারণে নদী ও বিল থেকে দেশীয় মাছ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।

প্রধান দুই নদী ছাড়াও আলীপুরা, বাঁশবাড়িয়া, রণগোপালদী, চরবোরহান, দশমিনা, বেতাগী সানকিপুর এলাকার নদী-খাল-বিলগুলোতে মাছের আকাল প্রকট হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিবেশবান্ধব মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার অভাব, কৃষি জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকারের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

হতাশায় জেলে ও ব্যবসায়ীরা

মাছ ধরার মৌসুমেও আশানুরূপ ফল নেই

আপডেট সময় ০৩:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

 

 

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার প্রধান নদীগুলোতেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গে আশানুরূপ মাছের দেখা মিলছে না। মাছ ধরার মৌসুমেও জেলেরা হতাশ হয়ে তীরে ফিরছে। এর ফলে উপকূলীয় বাঁশবাড়িয়া, হাজীরহাট, গোলখালী, আউলিয়াপুর, রণগোপালদী ও আলীপুরা এলাকার জেলে পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে।

আরও পড়ুন  ডিসেম্বরে আমদানির রেকর্ড: ব্যবসায় চাঙাভাবের ইঙ্গিত

জেলেদের দুর্দশার পাশাপাশি এসব এলাকায় দাদন ব্যবসায়ীদের দাপট বাড়ছে। অর্থকষ্টে জর্জরিত জেলেরা দাদনের ফাঁদে পড়ে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।

উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বাজারগুলোতেও দেশীয় প্রজাতির মাছ এখন দুষ্প্রাপ্য। বর্ষা মৌসুমে ডিম ছাড়ার আগেই ডিমওয়ালা মাছ ধরা পড়ায় মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। একশ্রেণির অসাধু জেলের অবাধ মাছ শিকারের কারণে নদী ও বিল থেকে দেশীয় মাছ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।

প্রধান দুই নদী ছাড়াও আলীপুরা, বাঁশবাড়িয়া, রণগোপালদী, চরবোরহান, দশমিনা, বেতাগী সানকিপুর এলাকার নদী-খাল-বিলগুলোতে মাছের আকাল প্রকট হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিবেশবান্ধব মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার অভাব, কৃষি জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকারের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।