ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চলনবিলের কৃষকদের স্বপ্ন এখন পানির নিচে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 809

ছবি সংগৃহীত

 

 

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিল ঘেঁষা ডাহিয়া ইউনিয়নের বেড়াবাড়ি, সরিষাবাড়ি ও পাড়িল গ্রাম মূলত সরিষা উৎপাদনে পরিচিত। এবারও কৃষকেরা সরিষা তোলার পর জমিতে ব্রি ধান-২৯ জাতের আবাদ করেন। তবে সম্প্রতি কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও আগাম বন্যায় এসব জমিতে পানি চলে এসেছে যার ফলে ধান কর্তন ও মাড়াই নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। প্রায় ২৫০জন কৃষকদের স্বপ্নের ফসল এখনও পানির নিচে।

আরও পড়ুন  লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, কৃষকদের মুখে হাসি

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলনবিলের ওইসব এলাকার কৃষকরা তাদের জমির কিছু ধান বাড়ি নিয়ে যাচ্ছে নৌকাযোগে কেউবা ভেলায়, কিছু এলাকায় এখনো নৌকা ছাড়া চলাচলের উপায় নেই। যেসব কৃষক নিজের ঘরেই ফসল সংরক্ষণ করতেন, তারাও ক্ষতির মুখে।

তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামানো হয়েছে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি। কম্বাইন হারভেস্টর ও থ্রেসার মেশিনের মাধ্যমে ধান কর্তন ও মাড়াইয়ের কাজ চলছে পুরোদমে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে।

সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ খন্দকার ফরিদ জানান, ‘‘টানা বৃষ্টি ও আগাম বন্যার কারণে জমিতে পানি ওঠায় ধান কাটার সমস্যা হয়েছিল। তবে আমরা দ্রুত মাঠে কম্বাইন হারভেস্টর নামানোর ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতিতে কৃষকের ক্ষতি না হয়, সে জন্য স্বল্পমেয়াদি ধান জাত চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চলনবিলের কৃষকদের স্বপ্ন এখন পানির নিচে

আপডেট সময় ০৭:১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

 

 

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিল ঘেঁষা ডাহিয়া ইউনিয়নের বেড়াবাড়ি, সরিষাবাড়ি ও পাড়িল গ্রাম মূলত সরিষা উৎপাদনে পরিচিত। এবারও কৃষকেরা সরিষা তোলার পর জমিতে ব্রি ধান-২৯ জাতের আবাদ করেন। তবে সম্প্রতি কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও আগাম বন্যায় এসব জমিতে পানি চলে এসেছে যার ফলে ধান কর্তন ও মাড়াই নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। প্রায় ২৫০জন কৃষকদের স্বপ্নের ফসল এখনও পানির নিচে।

আরও পড়ুন  আকস্মিক বৃষ্টিতে তিস্তা পাড়ের বাদাম চাষে বড় ধরনের ক্ষতি, হতাশায় কৃষকরা

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলনবিলের ওইসব এলাকার কৃষকরা তাদের জমির কিছু ধান বাড়ি নিয়ে যাচ্ছে নৌকাযোগে কেউবা ভেলায়, কিছু এলাকায় এখনো নৌকা ছাড়া চলাচলের উপায় নেই। যেসব কৃষক নিজের ঘরেই ফসল সংরক্ষণ করতেন, তারাও ক্ষতির মুখে।

তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামানো হয়েছে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি। কম্বাইন হারভেস্টর ও থ্রেসার মেশিনের মাধ্যমে ধান কর্তন ও মাড়াইয়ের কাজ চলছে পুরোদমে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে।

সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ খন্দকার ফরিদ জানান, ‘‘টানা বৃষ্টি ও আগাম বন্যার কারণে জমিতে পানি ওঠায় ধান কাটার সমস্যা হয়েছিল। তবে আমরা দ্রুত মাঠে কম্বাইন হারভেস্টর নামানোর ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতিতে কৃষকের ক্ষতি না হয়, সে জন্য স্বল্পমেয়াদি ধান জাত চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।