ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ডিসেম্বরে নির্বাচন করলে সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হবে: সিপিবি রুহিন হোসেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 428

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রস্তাবিত এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের চিন্তাকে অপ্রয়োজনীয় কালক্ষেপণ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, নির্বাচন ডিসেম্বরে আয়োজন করলেই সম্ভব হবে সংস্কার ও বিচার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া।

বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিবির নেতা এস এ রশীদ, খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি এইচ এম শাহাদাত, সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ ঢালী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন  সংস্কার প্রস্তাবনায় বিএনপির নতুন পরিকল্পনা, সংস্কারের প্রস্তাব আসবে রবিবার

রুহিন হোসেন বলেন, “ডিসেম্বরে নির্বাচন করলে সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হবে। কিন্তু এপ্রিলে নির্বাচন করতে চাইলে তা শুধু অকার্যকর সময়ক্ষেপণই নয়, বরং এর মধ্যে দিয়ে আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো করিডর ও বন্দর নিয়ে নিজেদের স্বার্থ পূরণের সুযোগ পেতে পারে, যা দেশের জন্য বিপজ্জনক।”

তিনি আরও বলেন, এপ্রিল মাস নির্বাচনের জন্য সময়োপযোগী নয়। ফেব্রুয়ারির পর রয়েছে শবে বরাত, রমজান, বিভিন্ন শিক্ষা পরীক্ষা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার বিষয়, যা নির্বাচন আয়োজনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

সিপিবি নেতা বলেন, “আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, আপনাদের যে এখতিয়ার রয়েছে, সেটুকুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুন। যদি এখতিয়ার-বহির্ভূতভাবে কিছু করার চেষ্টা করেন, তবে জনগণের প্রশ্ন উঠবে আপনি কি দেশের স্বার্থে কাজ করছেন, নাকি বিদেশি কোনো শক্তির ক্রীড়নক হিসেবে কাজ করছেন?”

রুহিন হোসেন আরও বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ না দিলে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামবে, যাতে একটি অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হয়।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে আমরা নই। তবে এত বড় হত্যাকাণ্ডের পরও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো অনুশোচনার চিহ্ন আমরা দেখিনি। তারা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কথা বলার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে। জনগণেরই উচিত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।”

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা দ্রুত নির্বাচন আয়োজন ও একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিসেম্বরে নির্বাচন করলে সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হবে: সিপিবি রুহিন হোসেন

আপডেট সময় ০৫:২৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রস্তাবিত এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের চিন্তাকে অপ্রয়োজনীয় কালক্ষেপণ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, নির্বাচন ডিসেম্বরে আয়োজন করলেই সম্ভব হবে সংস্কার ও বিচার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া।

বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিবির নেতা এস এ রশীদ, খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি এইচ এম শাহাদাত, সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ ঢালী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য বিভ্রান্তিকর: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

রুহিন হোসেন বলেন, “ডিসেম্বরে নির্বাচন করলে সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হবে। কিন্তু এপ্রিলে নির্বাচন করতে চাইলে তা শুধু অকার্যকর সময়ক্ষেপণই নয়, বরং এর মধ্যে দিয়ে আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো করিডর ও বন্দর নিয়ে নিজেদের স্বার্থ পূরণের সুযোগ পেতে পারে, যা দেশের জন্য বিপজ্জনক।”

তিনি আরও বলেন, এপ্রিল মাস নির্বাচনের জন্য সময়োপযোগী নয়। ফেব্রুয়ারির পর রয়েছে শবে বরাত, রমজান, বিভিন্ন শিক্ষা পরীক্ষা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার বিষয়, যা নির্বাচন আয়োজনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

সিপিবি নেতা বলেন, “আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, আপনাদের যে এখতিয়ার রয়েছে, সেটুকুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুন। যদি এখতিয়ার-বহির্ভূতভাবে কিছু করার চেষ্টা করেন, তবে জনগণের প্রশ্ন উঠবে আপনি কি দেশের স্বার্থে কাজ করছেন, নাকি বিদেশি কোনো শক্তির ক্রীড়নক হিসেবে কাজ করছেন?”

রুহিন হোসেন আরও বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ না দিলে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামবে, যাতে একটি অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হয়।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে আমরা নই। তবে এত বড় হত্যাকাণ্ডের পরও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো অনুশোচনার চিহ্ন আমরা দেখিনি। তারা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কথা বলার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে। জনগণেরই উচিত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।”

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা দ্রুত নির্বাচন আয়োজন ও একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।