ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 454

ছবি সংগৃহীত

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের গুঞ্জনে উদ্বেগে ইসরায়েল

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে তিনজন নিহত

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।