ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

ঈদের পর দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সচিবালয় কর্মচারীদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • / 505

ছবি সংগৃহীত

 

সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিলের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতারা। সোমবার (২ জুন) সচিবালয়ের বাদামতলায় বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মো. মাহফুজ আলমের দপ্তরে স্মারকলিপি দেন ফোরামের নেতারা। তবে ওই সময় দুই উপদেষ্টাই দপ্তরে অনুপস্থিত ছিলেন।

নেতারা জানান, আগামীকাল (মঙ্গলবার) অর্থ উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টার কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হবে। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “এই অধ্যাদেশ যদি বাতিল না করা হয়, তাহলে ঈদুল আজহার পর আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব। শুধু সচিবালয় নয়, সারাদেশের ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

আরও পড়ুন  চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সচিবালয় কর্মচারীদের

সমাবেশে ফোরামের নেতারা বলেন, এই অধ্যাদেশ কোনোভাবেই কর্মচারীবান্ধব নয় এবং এতে দুর্নীতি, ঘুষ, মানিলন্ডারিং বা নারী অধিকার নিয়ে কোনো স্পষ্ট বিধান নেই। তারা প্রশ্ন তোলেন “দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষা করা নাকি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের রক্ষা করাই সরকারের উদ্দেশ্য?”

এ সময় নেতারা অভিযোগ করেন, “জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি মেনে নেওয়া হলেও ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীর যৌক্তিক দাবির প্রতি সরকার উদাসীন।” তারা বলেন, “আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে অংশীজনদের মতামত ও স্বার্থের প্রতিফলন থাকা উচিত। সবাইকে নিয়ে যে আইন করা হবে, তা যেন সবার জন্য সহনশীল হয়।”

ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই আন্দোলনের সঙ্গে বাজেট বা কোরবানির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা ঈদের আগে কোনো কঠোর কর্মসূচিতে যাচ্ছি না। তবে ঈদের পর দেশজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হবে।”

অবিলম্বে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ ও অধ্যাদেশ বাতিলের আহ্বান জানান বক্তারা। আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ কী হবে তা নির্ভর করছে সরকারের অবস্থানের ওপর।

এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরকারি কর্মচারীরা জানান, আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদের পর দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সচিবালয় কর্মচারীদের

আপডেট সময় ০৭:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিলের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতারা। সোমবার (২ জুন) সচিবালয়ের বাদামতলায় বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মো. মাহফুজ আলমের দপ্তরে স্মারকলিপি দেন ফোরামের নেতারা। তবে ওই সময় দুই উপদেষ্টাই দপ্তরে অনুপস্থিত ছিলেন।

নেতারা জানান, আগামীকাল (মঙ্গলবার) অর্থ উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টার কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হবে। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “এই অধ্যাদেশ যদি বাতিল না করা হয়, তাহলে ঈদুল আজহার পর আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব। শুধু সচিবালয় নয়, সারাদেশের ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

আরও পড়ুন  পুলিশের বাধার মুখে সচিবালয় অভিমুখে ইশরাক সমর্থকদের লংমার্চ

সমাবেশে ফোরামের নেতারা বলেন, এই অধ্যাদেশ কোনোভাবেই কর্মচারীবান্ধব নয় এবং এতে দুর্নীতি, ঘুষ, মানিলন্ডারিং বা নারী অধিকার নিয়ে কোনো স্পষ্ট বিধান নেই। তারা প্রশ্ন তোলেন “দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষা করা নাকি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের রক্ষা করাই সরকারের উদ্দেশ্য?”

এ সময় নেতারা অভিযোগ করেন, “জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি মেনে নেওয়া হলেও ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীর যৌক্তিক দাবির প্রতি সরকার উদাসীন।” তারা বলেন, “আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে অংশীজনদের মতামত ও স্বার্থের প্রতিফলন থাকা উচিত। সবাইকে নিয়ে যে আইন করা হবে, তা যেন সবার জন্য সহনশীল হয়।”

ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই আন্দোলনের সঙ্গে বাজেট বা কোরবানির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা ঈদের আগে কোনো কঠোর কর্মসূচিতে যাচ্ছি না। তবে ঈদের পর দেশজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হবে।”

অবিলম্বে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ ও অধ্যাদেশ বাতিলের আহ্বান জানান বক্তারা। আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ কী হবে তা নির্ভর করছে সরকারের অবস্থানের ওপর।

এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরকারি কর্মচারীরা জানান, আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।