ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

টেকনাফে নেচার পার্কের পুকুরে বস্তাবন্দি গ্রেনেড, গুলি ও মদ উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 467

ছবি: সংগৃহীত

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নেচার পার্কের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য। শনিবার (৩১ মে) সকালে কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এসব উদ্ধার হয়।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়াস্থ নেচার পার্কে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

আরও পড়ুন  টেকনাফ উপকূলে আরাকান আর্মির দাপট: ট্রলারসহ ১১ জেলে অপহৃত

তিনি বলেন, পার্কের ভেতরে একটি পুকুরে ঘণ্টাব্যাপী তল্লাশির পর পানির নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি প্যাকেট শনাক্ত করা হয়। বস্তাটি তুলে খোলার পর দেখা যায়, এর ভেতরে রয়েছে ১০টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১০টি গ্রেনেডের ডেটোনেটর, ২৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ২ লিটার দেশীয় বাংলা মদ।

ঘটনাস্থলে যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক, গুলি ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ।

তিনি আরও বলেন, দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সার্বক্ষণিক টহল চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে এসব এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে সফল হয়েছে।

অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং পাচার রোধে ভবিষ্যতেও কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই পার্কের কিছু নির্জন এলাকাকে অপরাধীরা গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে নেচার পার্কের পুকুরে বস্তাবন্দি গ্রেনেড, গুলি ও মদ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নেচার পার্কের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য। শনিবার (৩১ মে) সকালে কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এসব উদ্ধার হয়।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়াস্থ নেচার পার্কে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

আরও পড়ুন  টেকনাফ উপকূলে আরাকান আর্মির দাপট: ট্রলারসহ ১১ জেলে অপহৃত

তিনি বলেন, পার্কের ভেতরে একটি পুকুরে ঘণ্টাব্যাপী তল্লাশির পর পানির নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি প্যাকেট শনাক্ত করা হয়। বস্তাটি তুলে খোলার পর দেখা যায়, এর ভেতরে রয়েছে ১০টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১০টি গ্রেনেডের ডেটোনেটর, ২৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ২ লিটার দেশীয় বাংলা মদ।

ঘটনাস্থলে যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক, গুলি ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ।

তিনি আরও বলেন, দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সার্বক্ষণিক টহল চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে এসব এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে সফল হয়েছে।

অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং পাচার রোধে ভবিষ্যতেও কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই পার্কের কিছু নির্জন এলাকাকে অপরাধীরা গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।