ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ইশরাক হোসেনের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন: আপিল বিভাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 549

ছবি সংগৃহীত

 

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এখন সাংবিধানিক কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর দায়িত্ব দিয়েছে আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন  দেশ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত : প্রধান উপদেষ্টা

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনে আপিল বিভাগ জানায়, শপথ নিয়ে ইসিই এখন সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার (২৮ মে) হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের বিরুদ্ধে করা ‘লিভ টু আপিল’ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ওই আদেশে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দিয়েছিল, যেখানে ইশরাককে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

গত ২২ মে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত রায়ে বলেন, রিটকারীর এই ধরনের রিট করার আইনগত এখতিয়ার নেই।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ দিতে নগর ভবনের সামনে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থকরা। আন্দোলনের কারণে নগর ভবনে নাগরিক সেবা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ এখন আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করছি।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ইস্যু ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষা, অন্যদিকে নগরবাসী ভোগান্তির মধ্যে পড়ে গেছে নাগরিক সেবা বন্ধ থাকায়। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত কী হবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইশরাক হোসেনের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন: আপিল বিভাগ

আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এখন সাংবিধানিক কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর দায়িত্ব দিয়েছে আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন  পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না হলে নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় তৈরি হবে- ডা. তাহের

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনে আপিল বিভাগ জানায়, শপথ নিয়ে ইসিই এখন সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার (২৮ মে) হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের বিরুদ্ধে করা ‘লিভ টু আপিল’ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ওই আদেশে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দিয়েছিল, যেখানে ইশরাককে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

গত ২২ মে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত রায়ে বলেন, রিটকারীর এই ধরনের রিট করার আইনগত এখতিয়ার নেই।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ দিতে নগর ভবনের সামনে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থকরা। আন্দোলনের কারণে নগর ভবনে নাগরিক সেবা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ এখন আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করছি।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ইস্যু ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষা, অন্যদিকে নগরবাসী ভোগান্তির মধ্যে পড়ে গেছে নাগরিক সেবা বন্ধ থাকায়। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত কী হবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।