ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ইশরাক হোসেনের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন: আপিল বিভাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 428

ছবি সংগৃহীত

 

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এখন সাংবিধানিক কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর দায়িত্ব দিয়েছে আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন  আইসিসি’র জেলে থেকেও নির্বাচনী জয়, আবারও ফিলিপাইনের মেয়র রদ্রিগো দুতের্তে

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনে আপিল বিভাগ জানায়, শপথ নিয়ে ইসিই এখন সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার (২৮ মে) হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের বিরুদ্ধে করা ‘লিভ টু আপিল’ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ওই আদেশে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দিয়েছিল, যেখানে ইশরাককে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

গত ২২ মে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত রায়ে বলেন, রিটকারীর এই ধরনের রিট করার আইনগত এখতিয়ার নেই।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ দিতে নগর ভবনের সামনে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থকরা। আন্দোলনের কারণে নগর ভবনে নাগরিক সেবা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ এখন আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করছি।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ইস্যু ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষা, অন্যদিকে নগরবাসী ভোগান্তির মধ্যে পড়ে গেছে নাগরিক সেবা বন্ধ থাকায়। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত কী হবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইশরাক হোসেনের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন: আপিল বিভাগ

আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এখন সাংবিধানিক কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর দায়িত্ব দিয়েছে আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন  পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না হলে নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় তৈরি হবে- ডা. তাহের

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনে আপিল বিভাগ জানায়, শপথ নিয়ে ইসিই এখন সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার (২৮ মে) হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের বিরুদ্ধে করা ‘লিভ টু আপিল’ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ওই আদেশে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দিয়েছিল, যেখানে ইশরাককে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

গত ২২ মে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত রায়ে বলেন, রিটকারীর এই ধরনের রিট করার আইনগত এখতিয়ার নেই।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ দিতে নগর ভবনের সামনে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থকরা। আন্দোলনের কারণে নগর ভবনে নাগরিক সেবা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ এখন আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করছি।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ইস্যু ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষা, অন্যদিকে নগরবাসী ভোগান্তির মধ্যে পড়ে গেছে নাগরিক সেবা বন্ধ থাকায়। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত কী হবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।